ইরাকে রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের যুবক রেজাউল ইসলামের মরদেহ ২৫ দিন পর দেশে ফিরেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রেজাউলের মরদেহ নিজ বাড়ি জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামে পৌঁছায়। তিনি ওই গ্রামের রহিম আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টার দিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আল মনসুর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে রেজাউলের মৃত্যু হয়।
পরে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সেখান থেকে দুপুরে মরদেহ নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়।
রেজাউলের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন প্রতিবেশী ও স্বজনরা।
বিয়ের প্রস্তুতি ছিল বাড়িতে
রেজাউলের বাবা রহিম আলী জানান, পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় আট বছর আগে ইরাকে পাড়ি জমিয়েছিলেন তার ছেলে। বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জন করা অর্থে বাড়িতে নির্মাণ করেছিলেন বিলাসবহুল ভবন।
বাড়িতে চলছিল রেজাউলের বিয়ের প্রস্তুতিও। শিগগিরই দেশে ফিরে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল তার। কিন্তু এর আগেই ইরাকের দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সব স্বপ্ন ও আয়োজন শেষ করে দিয়েছে।
ছেলের মরদেহ ফিরে আসার পর শোকাহত বাবা রহিম আলী বলেন, সংসারের স্বচ্ছলতার জন্য বিদেশে পাঠানো ছেলেকে শেষ পর্যন্ত নিথর দেহে ফিরে পাবেন—এটা কখনো ভাবেননি তারা।
প্রতিবেদকের নাম 



















