ইস্ট বেকার ব্রেডের মান নিয়ে সম্প্রতি তৈরি হওয়া উদ্বেগের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, একাধিক স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর ব্রেডে ব্যবহৃত উপাদানগুলো নির্ধারিত সীমার মধ্যেই পাওয়া গেছে।
ভোক্তাদের আস্থা ফেরাতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্যের নমুনা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষাগুলোর ফলাফল সন্তোষজনক এসেছে।
প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জানায়, ব্রেডে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ক্যালসিয়াম প্রপায়োনেটের মাত্রা নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার তুলনায় অনেক কম পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, এ মাত্রা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের মধ্যেও রয়েছে।
এ ছাড়া পরীক্ষায় পটাশিয়াম ব্রোমেটের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
শুধু রাসায়নিক বিশ্লেষণ নয়, পণ্যের সংরক্ষণকাল ও জীবাণুবিষয়ক নিরাপত্তাও পরীক্ষা করা হয়েছে। ইনস্টিটিউট অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ৩০ দিনের মাইক্রোবায়োলজিক্যাল সেলফ-লাইফ স্টাডি পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ওই পরীক্ষায় সালমোনেলা এসপিপি ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।
ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড জানিয়েছে, ইস্ট বেকার ব্রেডের উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত মানদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসরণ অব্যাহত থাকবে।
পাশাপাশি ভোক্তাদের যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে পণ্য সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদকের নাম 



















