গ্যাসের সংকট কেটে গেলে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
গ্যাস সংকটকেই বিদ্যুৎ সমস্যার কারণ বলছেন সংশ্লিষ্টরা
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, গ্যাসের সংকট কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ফলে বর্তমান সংকটও আর এতটা প্রকট থাকবে না বলে তারা আশা করছেন।
ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে
রাজধানীতে লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ঢাকাতেও কিছুটা বিদ্যুৎ সংকট মেনে নেওয়া উচিত। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে ঢাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।
তিনি বলেন, ‘ঢাকাকে একেবারে লোডশেডিংমুক্ত রাখব’—এমন ধারণা থেকে সরকার সরে আসছে। এ কারণেই বর্তমানে ঢাকায় কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে।
২০২৩ সালের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে লোডশেডিং কম
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, তখন ঢাকায় প্রায় লোডশেডিং দেওয়া হতো না। তাঁর মতে, ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ ও সামাজিক পুঁজি বেশি হওয়ায় রাজধানীবাসী লোডশেডিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম পেয়েছে। এর ফলে তাদের মধ্যে এ বিষয়ে একটি বিশেষ ধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, শেখ হাসিনার সরকারের শেষ পূর্ণ বছর ছিল ২০২৩ সাল। ওই বছরের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসের গড় লোডশেডিংয়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের একই সময়ের চিত্র তুলনা করলে দেখা যায়, জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কম ছিল।
উপদেষ্টার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুনে প্রতিদিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ৯৬৯ মেগাওয়াট। ২০২৬ সালের জুনে তা কমে দাঁড়ায় ৭৪১ মেগাওয়াটে।
একইভাবে, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রতিদিন গড়ে লোডশেডিং ছিল ৬১৩ মেগাওয়াট। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তা ছিল ৪৬০ মেগাওয়াট।
প্রতিবেদকের নাম 



















