ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ হলে দায়িত্ব ছাড়ব: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা দাবি আফরোজা আব্বাসের দাবি আন্দোলনে রাজপথে থাকা নারীদের মূল্যায়ন ছয় মাসে সরকারি খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টন গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩২ শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে দু’জনের মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে কাজ করবে মহিলা দল: রিজভী ফ্রান্সে ট্রেন লাইনচ্যুত, আহত ৪৪; তরুণীর অবস্থা আশঙ্কাজনক রাঙ্গুনিয়ায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাবারে যা রাখবেন, এড়িয়ে চলবেন যা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দিন শেষে পরিবারই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ১৪৩ সময় দেখুন

 

আধুনিক সভ্যতার দ্রুত পরিবর্তনের ভেতরেও পরিবার মানুষের জীবনের সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য জায়গা—এমনটাই তুলে ধরেছেন লেখক ড. আব্দুল ওয়াদুদ। আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস উপলক্ষে লেখা এক মতামতে তিনি বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের প্রভাবে পরিবারের কাঠামো বদলেছে, তবে পরিবারের প্রয়োজনীয়তা কখনো কমেনি।

লেখক উল্লেখ করেন, পরিবারকে গুরুত্ব দিতে জাতিসংঘ ১৯৮০ সাল থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। পরে ১৯৯৪ সালকে আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষ ঘোষণা করা হয় এবং প্রতি বছর ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল পরিবারকে সামাজিক স্থিতি, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

প্রবন্ধে পরিবারের ইতিহাস ও বিবর্তনের দিকও তুলে ধরা হয়েছে। কৃষিভিত্তিক সমাজে যৌথ পরিবার ছিল প্রধান কাঠামো। কিন্তু শিল্পবিপ্লবের পর মানুষ কাজের খোঁজে শহরমুখী হওয়ায় ধীরে ধীরে একক পরিবারের বিস্তার ঘটে। এতে যেমন নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে, তেমনি আত্মীয়তার বন্ধনও দুর্বল হয়েছে বলে মত লেখকের।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

তিনি বলেন, আধুনিক নগরজীবনে বিবাহবিচ্ছেদ, একাকিত্ব, প্রবীণদের অবহেলা এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। যৌথ পরিবারের অভাব, ব্যস্ততা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবন মানুষকে পরিবার থেকেও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

লেখকের মতে, শহুরে জীবনে মানুষ ভিড়ের মাঝেও একা হয়ে পড়ছে। মানসিক চাপ, প্রতিযোগিতা ও বিচ্ছিন্নতা বাড়লেও দিন শেষে পরিবারই মানুষের একমাত্র মানসিক আশ্রয় হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে পরিবার ব্যবস্থাও বদলাবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে মানবিক সম্পর্ক, দায়িত্ববোধ ও পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সবকিছুর পরেও পরিবারই মানুষের শেষ ঠিকানা।

লেখক : ফিকামলি তত্ত্বের জনক, বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ হলে দায়িত্ব ছাড়ব: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

দিন শেষে পরিবারই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়

আপডেটের সময়: ০৮:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

 

আধুনিক সভ্যতার দ্রুত পরিবর্তনের ভেতরেও পরিবার মানুষের জীবনের সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য জায়গা—এমনটাই তুলে ধরেছেন লেখক ড. আব্দুল ওয়াদুদ। আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস উপলক্ষে লেখা এক মতামতে তিনি বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের প্রভাবে পরিবারের কাঠামো বদলেছে, তবে পরিবারের প্রয়োজনীয়তা কখনো কমেনি।

লেখক উল্লেখ করেন, পরিবারকে গুরুত্ব দিতে জাতিসংঘ ১৯৮০ সাল থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। পরে ১৯৯৪ সালকে আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষ ঘোষণা করা হয় এবং প্রতি বছর ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল পরিবারকে সামাজিক স্থিতি, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

প্রবন্ধে পরিবারের ইতিহাস ও বিবর্তনের দিকও তুলে ধরা হয়েছে। কৃষিভিত্তিক সমাজে যৌথ পরিবার ছিল প্রধান কাঠামো। কিন্তু শিল্পবিপ্লবের পর মানুষ কাজের খোঁজে শহরমুখী হওয়ায় ধীরে ধীরে একক পরিবারের বিস্তার ঘটে। এতে যেমন নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে, তেমনি আত্মীয়তার বন্ধনও দুর্বল হয়েছে বলে মত লেখকের।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

তিনি বলেন, আধুনিক নগরজীবনে বিবাহবিচ্ছেদ, একাকিত্ব, প্রবীণদের অবহেলা এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। যৌথ পরিবারের অভাব, ব্যস্ততা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবন মানুষকে পরিবার থেকেও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

লেখকের মতে, শহুরে জীবনে মানুষ ভিড়ের মাঝেও একা হয়ে পড়ছে। মানসিক চাপ, প্রতিযোগিতা ও বিচ্ছিন্নতা বাড়লেও দিন শেষে পরিবারই মানুষের একমাত্র মানসিক আশ্রয় হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  মগড়া নদী কি টিকে থাকবে, নাকি হারিয়ে যাবে মানুষের অবহেলায়?

তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে পরিবার ব্যবস্থাও বদলাবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে মানবিক সম্পর্ক, দায়িত্ববোধ ও পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ সবকিছুর পরেও পরিবারই মানুষের শেষ ঠিকানা।

লেখক : ফিকামলি তত্ত্বের জনক, বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক