ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল সীমিত করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশনের (ডিএমআরসি) নেটওয়ার্কে থাকা তিন শতাধিক স্টেশনের মধ্যে স্পর্শকাতর এলাকার ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ডিএমআরসিকে পাঠানো এক চিঠিতে দিল্লি পুলিশের পরিবহন রেঞ্জের যুগ্ম কমিশনার রজনীশ গুপ্ত জানান, বিক্ষোভকারীদের অনিয়ন্ত্রিত জমায়েত যেন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনার দিকে এগোতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলোর প্রবেশ ও বের হওয়ার ফটক বন্ধ রাখা প্রয়োজন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টা থেকে শনিবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্টেশনগুলো বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি এসব স্টেশন দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা কমানো অথবা ট্রেন চলাচলের মধ্যবর্তী সময় বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে পুলিশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে ৫৭টি স্টেশন বন্ধের বিষয়টি পুলিশের অনুরোধ ও প্রস্তাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ডিএমআরসি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।
প্রতিবেদকের নাম 
























