নড়াইলের লোহাগড়ায় এক গৃহবধূর মরদেহ রাখা অ্যাম্বুলেন্সে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গভীর রাতে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করার সময় মৃত নারীর মা ওই চালককে ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
আটক অ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ (২৮) লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা তেলপাম্প এলাকার মৃত কামরুল শেখের ছেলে। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সকালে লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছেঁড়া গ্রামে সাদিয়া আক্তার লামিয়া নামের ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখে।
পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সে একা থাকার সুযোগে চালক সাগর শেখ মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে সাদিয়ার মা সেখানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে দাবি পরিবারের।
এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের জানালা গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন চালককে আটক করে মারধর করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, অভিযুক্ত সাগর শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 
















