ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ঘুরে দেখলেন সীমান্ত এলাকা ‘জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির মূল উৎস’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহে ওঠানামা, সংকট তৈরির অভিযোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পপির মন্তব্য ঘিরে আলোচনা, প্রভার বার্তা—‘শিল্প কোনো পাপ নয়’ বিএনপিকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ফরিদপুরে চার দিন ধরে উত্তেজনা, দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ৩৫ ত্রিশালে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩ চিকিৎসা শেষে ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

 

মাগুরার বহুল আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের ওপর রায় ঘোষণা করেন।

মামলাটিতে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল একসঙ্গে শুনানি হয়। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্ত নির্ধারণে কি চীনের প্রস্তাবে সায় দিচ্ছে ভারত? বৈঠকের পর বাড়ছে জল্পনা

যেভাবে ঘটে নৃশংস ঘটনা

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে আট বছরের শিশু আছিয়া মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে সে নৃশংস নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুক ছাড়লেন আসিফ আকবর

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং শুরু হয় আইনি প্রক্রিয়া।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড

মামলার বিচার শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মামলায় হিটু শেখকে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই রায়ে অপর তিন আসামি—সজীব শেখ, রাতুল শেখ ও জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী মামলার নথি অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি সাজাপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঘুষের মামলায় মোরেনোর ৫ বছরের জেল

দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ঘটনার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়। এরপর আছিয়া হত্যা মামলাটিও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুনানিতে আসে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্টে মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হলো।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

আপডেটের সময়: ০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

 

মাগুরার বহুল আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের ওপর রায় ঘোষণা করেন।

মামলাটিতে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল একসঙ্গে শুনানি হয়। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক।

আরও পড়ুনঃ  দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা

যেভাবে ঘটে নৃশংস ঘটনা

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে আট বছরের শিশু আছিয়া মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে সে নৃশংস নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে প্রথমে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।

আরও পড়ুনঃ  সংসদে নতুন আসন বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর পাশে এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং শুরু হয় আইনি প্রক্রিয়া।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড

মামলার বিচার শেষে ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মামলায় হিটু শেখকে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই রায়ে অপর তিন আসামি—সজীব শেখ, রাতুল শেখ ও জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী মামলার নথি অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি সাজাপ্রাপ্ত আসামির পক্ষ থেকেও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহ, ইতিবাচক পাকিস্তান—নজর রাখছে ভারত

দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ঘটনার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়। এরপর আছিয়া হত্যা মামলাটিও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুনানিতে আসে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্টে মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হলো।