ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ছয় সপ্তাহে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন পুরোপুরি চালুর পরিকল্পনা সৌদি আরামকোর স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে আজ মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩২ বিলিয়ন ডলার ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাবও ফিরিয়েছিলেন মেসি, বার্সেলোনায় থাকার ছিল অটুট ইচ্ছা ডোপ টেস্টের উদ্যোগের পর চাঁদপুরের এসআইয়ের খোঁজ মিলছে না কারাবাও কাপের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে রাতে মাঠে নামছে ম্যানসিটি হরমুজে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া সাত মাসে নারীদের ধর্ষণের ৪০০ ঘটনা, শিশু সহিংসতা ৬০৬ সকালের বৃষ্টিতে ঢাকায় স্বস্তি, কয়েক অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা শহীদ জুবায়েরের বোন জেসমিনের চিকিৎসার অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যুক্তরাষ্ট্রে আগস্টে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ২৫.৬৫ শতাংশ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ সময় দেখুন

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে আগস্টে একক মাস হিসেবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে বাংলাদেশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রফতানিকে ১২ মাসের গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

পোশাকের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্য, টেক্সটাইল ও সুতা, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও জুতা।

দেশটির বাজারে রফতানি বাড়াতে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ফলে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও রফতানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী উদ্ধার, চলছে বাকিদের সন্ধান

দেশের পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বেড়েছে। সামনের মাসগুলোতে আরও ভালো অর্ডার পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ ও নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে এ সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  মালয়েশিয়ায় যৌথ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৪৭২ বিদেশি আটক

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানির যে গতি রয়েছে, তা আশাব্যঞ্জক। এই গতি আগামী ১২ মাস অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি আয় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার হওয়ায় সেখানে রফতানি সম্প্রসারণে পণ্যের বৈচিত্র্য, উচ্চমূল্য সংযোজন ও মানোন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করাও জরুরি।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। চলতি অর্থবছরের শুরুতে দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রফতানির প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রফতানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনাকে আরও সামনে এনেছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ছয় সপ্তাহে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন পুরোপুরি চালুর পরিকল্পনা সৌদি আরামকোর

যুক্তরাষ্ট্রে আগস্টে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ২৫.৬৫ শতাংশ

আপডেটের সময়: ০৯:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে আগস্টে একক মাস হিসেবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে বাংলাদেশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রফতানিকে ১২ মাসের গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুনঃ  নারীদের নিজের শক্তি চিনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা সাফা কবিরের

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

পোশাকের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্য, টেক্সটাইল ও সুতা, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও জুতা।

দেশটির বাজারে রফতানি বাড়াতে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ফলে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও রফতানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হচ্ছেন মাহিরা খান

দেশের পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বেড়েছে। সামনের মাসগুলোতে আরও ভালো অর্ডার পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ ও নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে এ সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার, বাড়ছে অস্ত্র ও মূল্যস্ফীতির চাপ

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানির যে গতি রয়েছে, তা আশাব্যঞ্জক। এই গতি আগামী ১২ মাস অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি আয় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার হওয়ায় সেখানে রফতানি সম্প্রসারণে পণ্যের বৈচিত্র্য, উচ্চমূল্য সংযোজন ও মানোন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করাও জরুরি।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। চলতি অর্থবছরের শুরুতে দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রফতানির প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রফতানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনাকে আরও সামনে এনেছে।