ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে বৃদ্ধকে কুপিয়ে আহত, ৫০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আলেমদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান চরমোনাই পীরের সন্ধ্যার মধ্যে ৪ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত হোটেল নুরজাহান থেকে ধানখেত, তাজমীনের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে রহস্য শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও এআই সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী সৌরভের বায়োপিকের বিতর্কিত পোস্টার নিয়ে মুখ খুললেন রাজকুমার রাও ধর্ষণ-নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগ, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ পীরগঞ্জের ওসির বিরুদ্ধে ভূমধ্যসাগরে বিপদে পড়া ১০১ অভিবাসীকে উদ্ধার, দলে ৫ অন্তঃসত্ত্বা নারী কিশোরগঞ্জে ইটভাটার দেয়াল ধসে দুই শ্রমিক নিহত, আহত আরও দুই বিদেশে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা, রাজধানীতে ১২ জন গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের

দীর্ঘ সাত মাসের যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য চুক্তি করতে হলে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমাতে হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, শুধু ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার আশ্বাসে ওয়াশিংটন সন্তুষ্ট হবে না। যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে সমৃদ্ধকরণ কমানোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভ্যান্স প্রশ্ন তোলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য না থাকলে ইরানের ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদনের প্রয়োজন কেন। তার মতে, ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র তৈরির ইচ্ছা না থাকার বিষয়ে আন্তরিক হয়, তাহলে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  হানিট্র্যাপে ভারতীয় নৌসেনার নাবিক, পাকিস্তানি এজেন্টকে গোপন তথ্য দেওয়ার অভিযোগ

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সংঘাতের অবসান নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একাধিক প্রস্তাবের আদান-প্রদান হয়েছে। তবে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথ খোলা রাখলেও কেবল মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কোনো চুক্তি করবে না।

সাক্ষাৎকারে ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়েও মার্কিন প্রশাসনের সংশয়ের কথা জানান ভ্যান্স। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তবে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির বর্তমান নেতৃত্বের ওপর তাদের দুজনের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ  হিথ্রোকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে সংযুক্ত বিমানবন্দর ইস্তাম্বুল

তবে ভ্যান্সের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেন, ওয়াশিংটন ভালোভাবেই জানে ইরানে কারা সিদ্ধান্ত নেন এবং কীভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বরং মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান ও অস্পষ্ট বার্তাই সমস্যার কারণ বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  লাওসে নতুন চীনা সামরিক স্থাপনায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি, স্যাটেলাইট চিত্রে প্রমাণ

এদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও কথা বলেছেন ভ্যান্স। তার দাবি, সংঘাতের কারণে মাসে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হচ্ছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়েও আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন তিনি।

ভ্যান্স বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান মাঝে মাঝে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালালেও দেশটির পক্ষে জ্বালানি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার সক্ষমতা নেই।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সুনামগঞ্জে বৃদ্ধকে কুপিয়ে আহত, ৫০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেটের সময়: ০৫:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘ সাত মাসের যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য চুক্তি করতে হলে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমাতে হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, শুধু ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার আশ্বাসে ওয়াশিংটন সন্তুষ্ট হবে না। যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে ইরানকে সমৃদ্ধকরণ কমানোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভ্যান্স প্রশ্ন তোলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য না থাকলে ইরানের ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদনের প্রয়োজন কেন। তার মতে, ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র তৈরির ইচ্ছা না থাকার বিষয়ে আন্তরিক হয়, তাহলে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  হানিট্র্যাপে ভারতীয় নৌসেনার নাবিক, পাকিস্তানি এজেন্টকে গোপন তথ্য দেওয়ার অভিযোগ

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সংঘাতের অবসান নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একাধিক প্রস্তাবের আদান-প্রদান হয়েছে। তবে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথ খোলা রাখলেও কেবল মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কোনো চুক্তি করবে না।

সাক্ষাৎকারে ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়েও মার্কিন প্রশাসনের সংশয়ের কথা জানান ভ্যান্স। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তবে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির বর্তমান নেতৃত্বের ওপর তাদের দুজনের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুনঃ  লাওসে নতুন চীনা সামরিক স্থাপনায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি, স্যাটেলাইট চিত্রে প্রমাণ

তবে ভ্যান্সের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেন, ওয়াশিংটন ভালোভাবেই জানে ইরানে কারা সিদ্ধান্ত নেন এবং কীভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বরং মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান ও অস্পষ্ট বার্তাই সমস্যার কারণ বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে লাখো সমর্থক, ইসলামাবাদ ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

এদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও কথা বলেছেন ভ্যান্স। তার দাবি, সংঘাতের কারণে মাসে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হচ্ছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়েও আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন তিনি।

ভ্যান্স বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান মাঝে মাঝে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালালেও দেশটির পক্ষে জ্বালানি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার সক্ষমতা নেই।