ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এক সুতোয় জড়াতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: নিউইয়র্ক টাইমস পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে ব্যস্ত, কান্নায় বিরক্ত হয়ে ৩ বছরের সন্তানকে হত্যার অভিযোগ অপহৃত শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে যুবক গ্রেপ্তার ‘এক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের অধিকাংশ সেতু ধ্বংস করে দিতে পারি’— ট্রাম্প সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয়ে প্রতারণা: সতর্কবার্তা জারি করল বাংলাদেশ পুলিশ সংসদ ভবনের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়? ইসলাম কী বলছে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলেন হাইকোর্ট সরকারের আশ্বাসে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত ককরোচ জনতা পার্টির
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রান্না করে মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন আর ডি বর্মন, স্মৃতিচারণে কুমার শানু

শেকড় বাংলাদেশে, আর প্রভাব পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মন) আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান। বাংলা ও হিন্দি গানের জগতে তার অসামান্য অবদান তাকে এনে দিয়েছে কালজয়ী শিল্পীর মর্যাদা।

আর ডি বর্মনের জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতির ঝাঁপি খুলেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন প্রিয় শিল্পীর কিছু অজানা ও মানবিক দিক।

কুমার শানুর ভাষায়, আর ডি বর্মনের বাঙালিয়ানার প্রতি ছিল গভীর টান। বাংলায় কথা বলতে তিনি ভীষণ আনন্দ পেতেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি খাবারের প্রতিও ছিল তার বিশেষ অনুরাগ। অত্যন্ত প্রাণখোলা ও হাসিখুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ নোলান, সত্যজিৎ রায়কে বললেন কিংবদন্তি নির্মাতা

সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি শানুর মনে দাগ কেটেছে, তা হলো মানুষের প্রতি আর ডি বর্মনের আন্তরিকতা। তিনি নিজ হাতে রান্না করে অতিথিদের খাওয়াতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে তার রান্না করা মাটনের স্বাদ আজও ভুলতে পারেননি কুমার শানু।

শানু স্মৃতিচারণ করে বলেন—

“আমি যখনই তার কাছে যেতাম, তিনি খুব আপন করে নিতেন। শুধু আমাকে নয়, আশপাশের সবাইকে আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করতেন। এ কারণেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা ছিলেন।”

শৈশব থেকেই আর ডি বর্মনের গানের ভক্ত ছিলেন কুমার শানু। মুম্বাইয়ে ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন স্টুডিওতে নিজের গানের রেকর্ড নিয়ে ঘুরতেন তিনি। একদিন সেভাবেই দেখা হয়ে যায় আর ডি বর্মনের সঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ  বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে শিল্পকলায় রুনা লায়লার আবেগঘন একক কনসার্ট

প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি মনে করে শানু বলেন, তিনি পঞ্চমদার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। আর ডি বর্মন বুঝতে পেরেছিলেন তিনি বাঙালি। বাংলাতেই বলেছিলেন, “বসো, রেকর্ডিং দেখো।” এরপর থেকে সুযোগ পেলেই তার রেকর্ডিং সেশনে উপস্থিত থাকতেন শানু এবং কাছ থেকে দেখতেন একজন কিংবদন্তি সুরকারের কাজের ধরন।

আরও পড়ুনঃ  ‘আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না’

পরে আর ডি বর্মনের সুরেই ‘১৯৪২: আ লাভ স্টোরি’ চলচ্চিত্রে গেয়েছিলেন কুমার শানু। ছবির জনপ্রিয় গান ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’ আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছে। কুমার শানু জানান, এখনও বিভিন্ন মঞ্চে গানটি পরিবেশন করে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার প্রিয় ‘পঞ্চমদা’কে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এক সুতোয় জড়াতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: নিউইয়র্ক টাইমস

রান্না করে মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন আর ডি বর্মন, স্মৃতিচারণে কুমার শানু

আপডেটের সময়: ০৫:১২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

শেকড় বাংলাদেশে, আর প্রভাব পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মন) আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান। বাংলা ও হিন্দি গানের জগতে তার অসামান্য অবদান তাকে এনে দিয়েছে কালজয়ী শিল্পীর মর্যাদা।

আর ডি বর্মনের জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতির ঝাঁপি খুলেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন প্রিয় শিল্পীর কিছু অজানা ও মানবিক দিক।

কুমার শানুর ভাষায়, আর ডি বর্মনের বাঙালিয়ানার প্রতি ছিল গভীর টান। বাংলায় কথা বলতে তিনি ভীষণ আনন্দ পেতেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি খাবারের প্রতিও ছিল তার বিশেষ অনুরাগ। অত্যন্ত প্রাণখোলা ও হাসিখুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ২৪ জুলাই রুনা লায়লার একক সংগীতানুষ্ঠান

সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি শানুর মনে দাগ কেটেছে, তা হলো মানুষের প্রতি আর ডি বর্মনের আন্তরিকতা। তিনি নিজ হাতে রান্না করে অতিথিদের খাওয়াতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে তার রান্না করা মাটনের স্বাদ আজও ভুলতে পারেননি কুমার শানু।

শানু স্মৃতিচারণ করে বলেন—

“আমি যখনই তার কাছে যেতাম, তিনি খুব আপন করে নিতেন। শুধু আমাকে নয়, আশপাশের সবাইকে আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করতেন। এ কারণেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা ছিলেন।”

শৈশব থেকেই আর ডি বর্মনের গানের ভক্ত ছিলেন কুমার শানু। মুম্বাইয়ে ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন স্টুডিওতে নিজের গানের রেকর্ড নিয়ে ঘুরতেন তিনি। একদিন সেভাবেই দেখা হয়ে যায় আর ডি বর্মনের সঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ  বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ, থানায় অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মামলা

প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি মনে করে শানু বলেন, তিনি পঞ্চমদার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। আর ডি বর্মন বুঝতে পেরেছিলেন তিনি বাঙালি। বাংলাতেই বলেছিলেন, “বসো, রেকর্ডিং দেখো।” এরপর থেকে সুযোগ পেলেই তার রেকর্ডিং সেশনে উপস্থিত থাকতেন শানু এবং কাছ থেকে দেখতেন একজন কিংবদন্তি সুরকারের কাজের ধরন।

আরও পড়ুনঃ  ‘আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না’

পরে আর ডি বর্মনের সুরেই ‘১৯৪২: আ লাভ স্টোরি’ চলচ্চিত্রে গেয়েছিলেন কুমার শানু। ছবির জনপ্রিয় গান ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’ আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছে। কুমার শানু জানান, এখনও বিভিন্ন মঞ্চে গানটি পরিবেশন করে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার প্রিয় ‘পঞ্চমদা’কে।