ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিগত ফ্যাসিবাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইটবোঝাই বাল্কহেডের ওপর ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু সামগ্রিকভাবে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: আসিফ মাহমুদ ‘দ্য ওডিসি’র দাপট: ৩০ মিনিটেই শেষ বিএফআই আইম্যাক্সের সব টিকিট যশোরে অস্ত্র-পোশাকসহ তিন ভুয়া বিজিবি সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফিফা কাউন্সিলে বিদ্রোহের মুখে ইনফান্তিনো, সভাপতি পদ নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা যোগদান ও পদায়নের তারিখ ঘোষণার পর শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আয় কম, ব্যয় দ্বিগুণ: মেগা প্রকল্পেও ঘুরছে না Bangladesh Railway-এর চাকা

বিশ্বের অনেক দেশেই রেলওয়ে লাভজনক খাত হিসেবে বিবেচিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চিত্র একেবারেই ভিন্ন। আয়ের তুলনায় ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেশি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই লোকসানে চলছে Bangladesh Railway

সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, সংস্থাটি প্রতি ১০০ টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় করছে প্রায় ২০৯ টাকা। ফলে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে পণ্য পরিবহন থেকে বড় অংশের আয় আসে। যেমন প্রতিবেশী ভারতে রেলের আয়ের একটি বড় অংশ আসে মালবাহী খাত থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতের অবদান মাত্র ৫ শতাংশের মতো, যা সামগ্রিক আয়ের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বৈঠকে বসেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত কনটেইনার ট্রেন চালুর পরিকল্পনা থাকলেও ইঞ্জিন সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যাত্রী পরিবহনে অগ্রাধিকার দেওয়ায় মালবাহী সেবা পিছিয়ে পড়ছে। ফলে ব্যবসায়ীরা ক্রমেই সড়কপথের দিকে ঝুঁকছেন।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র টিকলে এগোবে বাংলাদেশ, স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে: ডিএসসিসি প্রশাসক

পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, রেলওয়ের নীতিগত দুর্বলতা ও ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতার কারণে পণ্য পরিবহন খাত গুরুত্ব পাচ্ছে না। অথচ এই খাত থেকেই আয় বাড়িয়ে যাত্রীসেবায় ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব।

অন্যদিকে, রেল কর্তৃপক্ষ কোচ ও ইঞ্জিন সংকটের কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে এই সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুনঃ  গাজায় মসজিদ ও তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় হতাহত অনেক

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পদ্মা রেল সংযোগসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্পে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবুও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেলের আয় ছিল প্রায় ১,৮৪৬ কোটি টাকা, যেখানে ব্যয় হয়েছে তার দ্বিগুণেরও বেশি।

নতুন পরিকল্পনায় পণ্য পরিবহনের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ইঞ্জিন সংকট ও নীতিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রেলওয়ে লাভজনক খাতে ফিরতে পারবে কিনা, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিগত ফ্যাসিবাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির

আয় কম, ব্যয় দ্বিগুণ: মেগা প্রকল্পেও ঘুরছে না Bangladesh Railway-এর চাকা

আপডেটের সময়: ১০:৪৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বিশ্বের অনেক দেশেই রেলওয়ে লাভজনক খাত হিসেবে বিবেচিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চিত্র একেবারেই ভিন্ন। আয়ের তুলনায় ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেশি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই লোকসানে চলছে Bangladesh Railway

সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, সংস্থাটি প্রতি ১০০ টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় করছে প্রায় ২০৯ টাকা। ফলে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে পণ্য পরিবহন থেকে বড় অংশের আয় আসে। যেমন প্রতিবেশী ভারতে রেলের আয়ের একটি বড় অংশ আসে মালবাহী খাত থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতের অবদান মাত্র ৫ শতাংশের মতো, যা সামগ্রিক আয়ের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বৈঠকে বসেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত কনটেইনার ট্রেন চালুর পরিকল্পনা থাকলেও ইঞ্জিন সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যাত্রী পরিবহনে অগ্রাধিকার দেওয়ায় মালবাহী সেবা পিছিয়ে পড়ছে। ফলে ব্যবসায়ীরা ক্রমেই সড়কপথের দিকে ঝুঁকছেন।

আরও পড়ুনঃ  ‘আসিফ-আখতারদের মেস ভাড়া তুলতে মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম’—রাশেদ খাঁন

পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, রেলওয়ের নীতিগত দুর্বলতা ও ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতার কারণে পণ্য পরিবহন খাত গুরুত্ব পাচ্ছে না। অথচ এই খাত থেকেই আয় বাড়িয়ে যাত্রীসেবায় ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব।

অন্যদিকে, রেল কর্তৃপক্ষ কোচ ও ইঞ্জিন সংকটের কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধাপে ধাপে এই সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুনঃ  আন্তর্জাতিক পেজেন্টের জন্য নতুন যাত্রা, উদ্বোধন হলো টিফা'স ট্রেনিং একাডেমি

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পদ্মা রেল সংযোগসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্পে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবুও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেলের আয় ছিল প্রায় ১,৮৪৬ কোটি টাকা, যেখানে ব্যয় হয়েছে তার দ্বিগুণেরও বেশি।

নতুন পরিকল্পনায় পণ্য পরিবহনের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ইঞ্জিন সংকট ও নীতিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে রেলওয়ে লাভজনক খাতে ফিরতে পারবে কিনা, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।