ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। নিহত আরও তিনজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতের ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা।
একই পরিবারের চার বাংলাদেশি নিহত
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই ঠিকানার চারজন রয়েছেন। তারা হলেন—শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত ও মো. আকরাম আলী।
এ ছাড়া ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু নামে আরও একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
শর্ণশিষ দত্তের বাবা সাংবাদিক দেবাশিস দত্ত, মা আফসানা শিম্মিন এবং নানা মো. আকরাম আলীও এই অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন।
শনাক্ত হওয়া নিহতদের পরিচয়
১. শর্ণশিষ দত্ত
জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
পিতা: দেবাশিস দত্ত
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, কুষ্টিয়া।
২. আফসানা শিম্মিন
জন্ম: ৬ জানুয়ারি ১৯৯৯
পিতা: মো. আকরাম আলী
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, কুষ্টিয়া।
৩. দেবাশিস দত্ত
জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭
পিতা: দিলীপ কুমার দত্ত
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, কুষ্টিয়া।
৪. মো. আকরাম আলী
জন্ম: ১৬ জুন ১৯৬২
পিতা: ইয়াসিন আলী
ঠিকানা: থানাপাড়া, কুষ্টিয়া।
৫. আহমেদ বাবু
জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
পিতা: আদম আলী
ঠিকানা: বেগুনবাড়ি, সাভার, ঢাকা।
ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দার পরিচয়ও শনাক্ত
পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ষষ্ঠ ব্যক্তি ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান।
তার পিতা প্রয়াত পাসওয়ান ভুবনেশ্বর। তার বাড়ি গিরিডি জেলার পিলমউ এলাকায়।
এখনও শনাক্ত হয়নি তিনজন
কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি ও একজন ভারতীয় নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করা গেলেও আরও তিনজন নিহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
নিহতদের পরিচয় শনাক্তে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা।
৮০ জনকে উদ্ধার
বুধবার ভোররাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের দীর্ঘ তৎপরতায় প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে নয়জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
প্রতিবেদকের নাম 





















