মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পুলিশ পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে তল্লাশি ও হয়রানির অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় হরিরামপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সোহেল রানাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আফজাল হোসেন।
পথচারীদের তল্লাশি, সন্দেহে ধাওয়া
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে হরিরামপুর উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া ব্রিজ এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে পথচারীদের তল্লাশি করেন। পরে তারা সেখান থেকে হারুকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুরের দিকে চলে যান।
তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় কয়েকজন তাদের পিছু নেন। একপর্যায়ে দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকা থেকে আলমগীর হোসেনকে আটক করে বলড়া মোড়ে নিয়ে আসা হয়।
সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আলমগীর নিজেকে হরিরামপুর থানার এএসআই সোহেল রানার ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচয় দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
হয়রানি ও মারধরের অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ পরিচয়ে ওই ব্যক্তিরা পথচারীদের তল্লাশির পাশাপাশি তাদের হয়রানি ও মারধরও করেছেন।
খবর পেয়ে কিলো ডিউটিতে থাকা এসআই মোহাম্মদ মাসুদ মুন্সী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলমগীরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
এএসআইকে থানা থেকে প্রত্যাহার
হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, ঘটনায় আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ না করায় আলমগীরকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মাছুম জানান, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এএসআই মো. সোহেল রানাকে হরিরামপুর থানা থেকে ক্লোজড করা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আরও তদন্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 


























