ক্যারিবীয় অঞ্চলের কিউবাকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধারণা করা হচ্ছে, কিউবার ওপর ওয়াশিংটনের চাপ আরও বাড়তে পারে এবং পরিস্থিতি ভবিষ্যতে সামরিক সংঘাতে গড়াতে পারে।
একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিউবা সরকারের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কৌশল নিচ্ছে। এর মধ্যে নজরদারি কার্যক্রম ও নিষেধাজ্ঞা জোরদারের তথ্যও উঠে এসেছে।
ঐতিহাসিকভাবে ১৯৬২ সালের কিউবা মিসাইল সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর সংকট পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বলে জানা যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে সাধারণ জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করার নীতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অন্যদিকে, কিউবার অর্থনীতি ও জ্বালানি পরিস্থিতি ইতোমধ্যেই সংকটে রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনার দিকে যেতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 























