কৃষি মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
সরকারের অনুমোদিত আমদানির তালিকায় রয়েছে ৭০ হাজার টন ইউরিয়া, ৬০ হাজার টন টিএসপি, ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিএপি এবং ১ লাখ ১৫ হাজার টন এমওপি সার।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সৌদি আরবের এসএবিআইভি এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন এবং বাংলাদেশের কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) লিমিটেড থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া আমদানি করা হবে।
এ ছাড়া জিটুজি পদ্ধতিতে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রি-ক্রপস থেকে ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
ডিএপি সারের মধ্যে মরক্কো থেকে ৮০ হাজার টন এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন আমদানি করা হবে। একই সঙ্গে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে ৮০ হাজার টন এবং রাশিয়ার ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কৃষি উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এই আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকলে কৃষি মৌসুমে সার সংকটের আশঙ্কাও কমবে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কৃষি খাতে সারের সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















