কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের খামারগুলোতে এখন চলছে ব্যস্ত সময়। এরই মধ্যে জেলার উত্তরমুলাইম গ্রামের একটি খামারের তিনটি বিশাল আকৃতির কালো ষাঁড় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের কাছে এগুলো এখন পরিচিত ‘কালোমানিক’ নামে।
লন্ডনপ্রবাসী খামারি আব্দুল গপ্পার মিয়া শখের বসে গড়ে তুলেছেন ‘জে আর ডেইরি’ খামার। নিজের সন্তানের মতো যত্নে বড় করা তিনটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় এখন কোরবানির বাজারের অন্যতম আকর্ষণ। ঘন কালো পশম, নাদুসনুদুস গঠন আর বিশাল আকারের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এগুলো দেখতে ভিড় করছেন।
খামারি জানান, বড় কালোমানিকটির বয়স প্রায় তিন বছর এবং ওজন প্রায় ৩৫ মণ। বাকি দুটি প্রায় ২৫ মণের কাছাকাছি। প্রতিদিন প্রতিটি ষাঁড়কে দানাদার খাবার, খড় ও সবুজ ঘাস খাওয়ানো হয়। কোনো ধরনের কৃত্রিম মোটাতাজাকরণ করা হয়নি বলেও দাবি তার।
তিনি বলেন, একটি গরুর পেছনে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ টাকা খরচ হয়। খাবার ও পরিচর্যা মিলিয়ে মাসে ব্যয় হয় প্রায় এক লাখ টাকা। খামারে কয়েকজন শ্রমিকও নিয়মিত কাজ করছেন।
বড় কালোমানিকটির দাম হাঁকা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। অন্য দুটি মিলিয়ে দাম চাওয়া হচ্ছে ১১ লাখ টাকা। ন্যায্য মূল্য পেলেই গরুগুলো বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন খামারি।
স্থানীয়দের মতে, এত সুন্দর ও সুস্থ গরু এলাকায় খুব কমই দেখা যায়। প্রাণিসম্পদ বিভাগও খামারটিকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 


























