ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ডিম খেতে ভালোবাসেন? জেনে নিন প্রতিদিন কতটি ডিম খাওয়া নিরাপদ তিন দিনের সফরে আজ ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর ৩০ জুলাইয়ের স্বর্ণের দাম: ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৭ টাকা এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন দিনভর বাধার পর রাতে হবিগঞ্জে এনসিপির মামলা, আসামি ১১ আলিফের একটি চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্টের দাবি সারজিস আলমের বর্তমান সরকারের কার্যক্রম আগের ১৭ বছরের তুলনায় ভালো: আন্দালিব রহমান পার্থ গার্ড অব অনার গ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক ডিজিটাল লেনদেনে নতুন যুগ: পেপাল–পেওনিয়ার–স্ট্রাইপের সঙ্গে অংশীদারত্বের পথ খুলল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের অপেক্ষায় ভারত, সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: আড়াই বছর পর আসামির মৃত্যুদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি মো. আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করলে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কঠোর পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  আগামী ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার শূন্য ব্যয় থেকে লাভজনক হবে: তথ্যমন্ত্রী

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে জীবননগর উপজেলার ওই শিশু তার ছোট বোন ও প্রতিবেশী আরও দুই শিশুর সঙ্গে স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় এক ব্যক্তি ভালো জায়গা থেকে শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে পাশের ভুট্টাখেতে নিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তি একা ফিরে এলে অন্য শিশুদের সন্দেহ হয়। তারা বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজ শুরু করেন। পরে ভুট্টাখেত থেকে শিশু মরিয়মের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পদত্যাগের পর সংসদে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বিজেপি এমপিদের স্লোগান

এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা ইকবাল হোসেন জীবননগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম গয়েশপুর গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তদন্ত চলাকালে আসামি চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।

মামলার বিচারকাজে ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, ডিএনএ রিপোর্ট, আসামির স্বীকারোক্তি ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  চিনিতেও মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে নতুন উদ্বেগ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল বলেন, “এটি একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। আদালত সব ধরনের প্রমাণ বিবেচনা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।”

চুয়াডাঙ্গা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক একরাম জানান, রায় ঘোষণাকে ঘিরে আদালতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ডিম খেতে ভালোবাসেন? জেনে নিন প্রতিদিন কতটি ডিম খাওয়া নিরাপদ

চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: আড়াই বছর পর আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময়: ০৪:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি মো. আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে (২৯) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করলে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কঠোর পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বর্তমান সরকারের কার্যক্রম আগের ১৭ বছরের তুলনায় ভালো: আন্দালিব রহমান পার্থ

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে জীবননগর উপজেলার ওই শিশু তার ছোট বোন ও প্রতিবেশী আরও দুই শিশুর সঙ্গে স্থানীয় হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় এক ব্যক্তি ভালো জায়গা থেকে শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে পাশের ভুট্টাখেতে নিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তি একা ফিরে এলে অন্য শিশুদের সন্দেহ হয়। তারা বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজ শুরু করেন। পরে ভুট্টাখেত থেকে শিশু মরিয়মের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা ইকবাল হোসেন জীবননগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে জীবননগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম গয়েশপুর গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তদন্ত চলাকালে আসামি চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।

মামলার বিচারকাজে ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, ডিএনএ রিপোর্ট, আসামির স্বীকারোক্তি ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ  দেশীয় প্রযুক্তির চিকিৎসা যন্ত্রে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা, স্বাস্থ্য খাতে গবেষণায় সর্বোচ্চ গুরুত্বের ঘোষণা

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল বলেন, “এটি একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। আদালত সব ধরনের প্রমাণ বিবেচনা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।”

চুয়াডাঙ্গা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক একরাম জানান, রায় ঘোষণাকে ঘিরে আদালতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হবে।