ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্তে দেরি হলে সংকট আরও বাড়বে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাংলাদেশের সঙ্গে ৩৪ দেশের ভিসা ছাড়ের চুক্তি, কোন পাসপোর্টে মিলবে সুবিধা? দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে আরও ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার এআই ব্যবহারে আরও দক্ষ হবে সরকার, সহজ হবে নাগরিক সেবা ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁও সফরে মির্জা ফখরুল কৃষি মৌসুমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩.৬৫ লাখ টন সার আমদানি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনই বলা যাচ্ছে না: সিইসি আবারও ক্যানসার শনাক্ত, নতুন লড়াইয়ে সামিয়া আফরিন
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ডলারের কালোবাজারির দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপাবেন না: এমসিএবি

 

ডলারের কালোবাজারির দায় বৈধ মানি চেঞ্জারদের ওপর না চাপিয়ে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান এমসিএবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম এস জামান। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ও বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা।

গৌতম দে বলেন, ১২৮ টাকা বা তার বেশি দামে যারা ডলার লেনদেন করছেন, তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জার নন। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কারা ডলারের দাম বাড়াচ্ছে, রাষ্ট্রকে তাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড

তিনি দাবি করেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ী বৈধভাবে ব্যবসা করছেন। অনিয়মে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণসহ বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এমসিএবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, খোলা বাজারে ডলারের দর ১২২ টাকা ৪৮ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে থাকা উচিত। এর সঙ্গে ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা যোগ করে ডলারের ক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নির্ধারিত দরের বাইরে ডলার লেনদেন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান গৌতম দে।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, শুরু হলো আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক কার্যক্রম

ব্যাংক ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের মধ্যে বৈষম্যের অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, ব্যাংকগুলো যাত্রীদের ডলার এনডোর্স করলেও অনেক ক্ষেত্রে নগদ ডলার দিতে না পারায় তারা খোলা বাজার থেকে ডলার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

বর্তমান বাস্তবতায় যাত্রীদের ডলার এনডোর্সমেন্টের সীমা অপ্রতুল উল্লেখ করে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের চাহিদা অনুযায়ী নগদ ডলার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানায় এমসিএবি।

ডলারের বাজারে কারসাজি ও কালোবাজারি বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ মনিটরিং টিম গঠনের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় তদারকি ক্ষমতা ও ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার দাবি করেন গৌতম দে।

এ ছাড়া ভ্যাট বা আয়কর ফাঁকির অভিযোগে বৈধ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার কথা জানিয়ে তারা বলেন, তবে প্রমাণ ছাড়া বৈধ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা যাবে না।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গভবনে আজ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধান দাবি করে গৌতম দে বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এমসিএবির নেতারা বলেন, প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বৈধ মানি চেঞ্জারদের হয়রানি বন্ধ, ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারদের মধ্যে বৈষম্য দূর এবং যৌথ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা গেলে ডলারের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

ডলারের কালোবাজারির দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপাবেন না: এমসিএবি

আপডেটের সময়: ০৯:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

 

ডলারের কালোবাজারির দায় বৈধ মানি চেঞ্জারদের ওপর না চাপিয়ে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান এমসিএবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম এস জামান। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ও বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা।

গৌতম দে বলেন, ১২৮ টাকা বা তার বেশি দামে যারা ডলার লেনদেন করছেন, তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জার নন। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কারা ডলারের দাম বাড়াচ্ছে, রাষ্ট্রকে তাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  দুপুরের মধ্যে ৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস

তিনি দাবি করেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ী বৈধভাবে ব্যবসা করছেন। অনিয়মে জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণসহ বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এমসিএবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, খোলা বাজারে ডলারের দর ১২২ টাকা ৪৮ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে থাকা উচিত। এর সঙ্গে ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা যোগ করে ডলারের ক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নির্ধারিত দরের বাইরে ডলার লেনদেন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান গৌতম দে।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড

ব্যাংক ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের মধ্যে বৈষম্যের অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, ব্যাংকগুলো যাত্রীদের ডলার এনডোর্স করলেও অনেক ক্ষেত্রে নগদ ডলার দিতে না পারায় তারা খোলা বাজার থেকে ডলার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

বর্তমান বাস্তবতায় যাত্রীদের ডলার এনডোর্সমেন্টের সীমা অপ্রতুল উল্লেখ করে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের চাহিদা অনুযায়ী নগদ ডলার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানায় এমসিএবি।

ডলারের বাজারে কারসাজি ও কালোবাজারি বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ মনিটরিং টিম গঠনের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় তদারকি ক্ষমতা ও ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার দাবি করেন গৌতম দে।

এ ছাড়া ভ্যাট বা আয়কর ফাঁকির অভিযোগে বৈধ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার কথা জানিয়ে তারা বলেন, তবে প্রমাণ ছাড়া বৈধ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা যাবে না।

আরও পড়ুনঃ  ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফলপ্রসূ হবে না: বাঘাই

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধান দাবি করে গৌতম দে বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এমসিএবির নেতারা বলেন, প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বৈধ মানি চেঞ্জারদের হয়রানি বন্ধ, ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারদের মধ্যে বৈষম্য দূর এবং যৌথ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা গেলে ডলারের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।