
ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে গালফ দেশগুলো ও ইসরায়েলের ওপর সারপ্রাইজ অ্যাটাক করতে পারে ইরান বলে সতর্ক করেছেন ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এই সতর্কতা জানানো হয় বলে জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
দেশটির সামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সর্বশেষ পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের কাছে এই আশঙ্কা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলমান থাকলেও পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ইরান ইস্যুতে কৌশলগত পার্থক্যও রয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, কূটনৈতিক সমাধান কার্যকর হওয়ার আগেই তেহরান হয়তো দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে, যা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রভিত্তিক আকস্মিক হামলায় রূপ নিতে পারে। অতীতে সংঘটিত সামরিক অভিযানের অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও আইডিএফের অপারেশনস ডিরেক্টরেট, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করেছে। অস্বাভাবিক ইরানি সামরিক তৎপরতা শনাক্তে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো হয়েছে।
আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে ধারাবাহিক নিরাপত্তা বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক: উভয় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলি সামরিক সূত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানের পর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি সমন্বয় এবং সফটওয়্যার উন্নয়নে অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে সেনা মোতায়েন ও প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে।
গত এক মাসে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
Arif 




















