প্রায় এক বছরের প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাজারে আসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আলোচিত স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘ট্রাম্প মোবাইল’।
প্রকল্পটি প্রথম ঘোষণা করা হয়েছিল গত বছরের জুনে, যখন The Trump Organization জানায় যে তাদের নতুন মোবাইল ফোন আগস্টেই বাজারে আসবে। তবে বিভিন্ন কারণে পরিকল্পিত সময়সূচি থেকে পিছিয়ে যায় পণ্যটি।
এখন প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহ থেকেই প্রি-অর্ডার করা গ্রাহকদের কাছে ‘ট্রাম্প মোবাইল টি১’ পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৯ ডলার।
প্রি-অর্ডার ব্যবস্থা নিয়ে আগে থেকেই কিছু বিতর্ক ছিল। যারা ১০০ ডলার অগ্রিম জমা দিয়েছিলেন, তারা সবাই ফোন পাবেন—এমন নিশ্চয়তা নেই বলে জানানো হয়েছে। বরং এটি “শর্তসাপেক্ষ ডেলিভারি” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিভাইসটির ডিজাইন ও ফিচার অনেকটাই বাজারে থাকা একটি চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সঙ্গে মিল রয়েছে। এ কারণে শুরু থেকেই এর উৎপাদন ও উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি নতুন স্মার্টফোন বাজারে আনতে সাধারণত দীর্ঘ সময় লাগে—ডিজাইন, সফটওয়্যার ও উৎপাদন সমন্বয়ের কারণে প্রায় দেড় বছর পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ফোনটির নামকরণ ও ব্র্যান্ডিং নিয়েও আলোচনা রয়েছে। ‘ট্রাম্প মোবাইল’ মূলত একটি বিশেষায়িত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস হিসেবে বাজারে আসছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে “দেশীয় মূল্যবোধ” ভিত্তিক পণ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
তবে ‘মেইড ইন ইউএসএ’ দাবিটি পরে আর জোরালোভাবে ব্যবহার করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক স্মার্টফোনের বেশিরভাগ অংশই বিভিন্ন দেশের সরবরাহ চেইনের ওপর নির্ভরশীল।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাজারে আসা এই ফোন ঘিরে যেমন আগ্রহ আছে, তেমনি রয়েছে নানান প্রশ্ন ও বিতর্কও।
প্রতিবেদকের নাম 




















