
জাপান যে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে জানে, তার আরেকটি প্রমাণ মিলল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও দাইচি কামাদার শেষ মুহূর্তের গোলে ২–২ ব্যবধানে ড্র করেছে এশিয়ার দলটি। জয়ের স্বপ্ন দেখা ডাচদের হতাশ করে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে জাপান।
প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হলেও বিরতির পর জমে ওঠে ম্যাচের উত্তেজনা। ৫১ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা ক্রসে দুর্দান্ত হেডে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। লিভারপুলের এই ডিফেন্ডারের হেড পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। দেশের হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে এটিই ছিল ফন ডাইকের প্রথম গোল।
তবে পিছিয়ে পড়ার মাত্র ছয় মিনিট পরই সমতায় ফেরে জাপান। ৫৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা দারুণ এক আক্রমণ থেকে মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা জালের দেখা পান। তার গোলে ম্যাচে ফিরে আসে জাপান।
সমতা ফেরার পর আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ৬৪ মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিল গোল করে ডাচদের ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচে দেখা যায় তিনটি গোল, যা খেলাটিকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
তবে শেষ হাসি হাসতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ দিকে, ৮৯ মিনিটে দাইচি কামাদা জাপানের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন। তার এই গোলে পরাজয় এড়িয়ে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে জাপান।
দুবার পিছিয়ে পড়েও হাল না ছেড়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়া জাপান আবারও প্রমাণ করেছে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিক শক্তিই তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
প্রতিবেদকের নাম 
























