ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
অভিনয়ের পর এবার গাড়ির ব্যবসায় মাহি পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি-হয়রানির অভিযোগ, মানিকগঞ্জে ‘সোর্স’ আটক; এএসআই প্রত্যাহার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে: রিজভী দুই হাত নেই, মুখে কলম ধরে দাখিল পাস রিয়াদের প্রথম টেস্টে না খেলেও ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দে শরিফুল জহির রায়হানের জন্মদিন আজ, স্মরণে কালজয়ী চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক মানিকগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীর ওপর কোদালের হামলা, হাসপাতালে মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কারামুক্ত জেআইসিতে গুম-নির্যাতন মামলায় ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ, পরবর্তী শুনানি ৩১ আগস্ট
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে নতুন অধ্যায়, দুদকের চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

দীর্ঘ ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য থাকার পর নতুন কমিশনের মাধ্যমে আবারও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বুধবার নতুন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

সকাল ৯টার দিকে নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খানসাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে সকাল ১০টায় তারা দুদকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় দুদক সচিব সাইদুর রহমান, মহাপরিচালকসহ উপপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  রামিসা হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

১৬৬ দিন পর নতুন কমিশন

এর আগে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারা অনুসারে তিনজনকে প্রথমে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে একই আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  সায়েন্সল্যাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মশার লার্ভা, ভবনমালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা

দুদক আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে নতুন কমিশনের সদস্যরা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

কে এই এ কে এম আসাদুজ্জামান?

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি হিসেবে অবসর নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

আরও পড়ুনঃ  নদ-নদীতে স্বস্তি, তবে তিন দিনের বৃষ্টিতে বাড়তে পারে পানি

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট স্থায়ী বিচারপতি হন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নেতৃত্বশূন্যতার অবসান হলেও দুদকের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করা। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগে নতুন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


 

 

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

অভিনয়ের পর এবার গাড়ির ব্যবসায় মাহি

দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে নতুন অধ্যায়, দুদকের চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

আপডেটের সময়: ০৪:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য থাকার পর নতুন কমিশনের মাধ্যমে আবারও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বুধবার নতুন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

সকাল ৯টার দিকে নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খানসাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে সকাল ১০টায় তারা দুদকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় দুদক সচিব সাইদুর রহমান, মহাপরিচালকসহ উপপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  চীনের শুল্ক ফাঁকিতে ৪০টির বেশি দেশকে ব্যবহারের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের

১৬৬ দিন পর নতুন কমিশন

এর আগে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারা অনুসারে তিনজনকে প্রথমে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে একই আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

দুদক আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে নতুন কমিশনের সদস্যরা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

কে এই এ কে এম আসাদুজ্জামান?

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি হিসেবে অবসর নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

আরও পড়ুনঃ  রামিসা হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট স্থায়ী বিচারপতি হন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নেতৃত্বশূন্যতার অবসান হলেও দুদকের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করা। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগে নতুন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।