ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, সম্ভাব্য নাম ‘অর্ণব’; বাংলাদেশে আঘাতের আশঙ্কা কম নিখোঁজের পর সেতুর নিচে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাদ্রাসাশিক্ষকের মৃত্যু শাহজালাল রুমিকে গ্রেফতারে পুলিশের কোনো অভিযান নেই: রাশেদ খাঁন দুই সপ্তাহের বিরতি শেষে চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি; প্রার্থী বাছাইয়ে চাপে বিএনপি শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলেছে স্বর্ণ-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পালমারের প্রথম লাল কার্ড, টটেনহ্যামের কাছে হেরে চেলসির শততম বহিষ্কার ২৯ অক্টোবর প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ডালিম নাকি আপেল, কোন ফলের পুষ্টিগুণ বেশি? চট্টগ্রামে সাংবাদিককে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি ‘ভেড়া সাইফুল’ গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে নতুন অধ্যায়, দুদকের চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

দীর্ঘ ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য থাকার পর নতুন কমিশনের মাধ্যমে আবারও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বুধবার নতুন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

সকাল ৯টার দিকে নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে সকাল ১০টায় তারা দুদকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় দুদক সচিব সাইদুর রহমান, মহাপরিচালকসহ উপপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে দেশজুড়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জুবাইদা রহমানের

১৬৬ দিন পর নতুন কমিশন

এর আগে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারা অনুসারে তিনজনকে প্রথমে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে একই আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াতেই ইশরাকের পদত্যাগ: জামায়াত আমির

দুদক আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে নতুন কমিশনের সদস্যরা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

কে এই এ কে এম আসাদুজ্জামান?

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি হিসেবে অবসর নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে নতুন বিনিয়োগের আশা

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট স্থায়ী বিচারপতি হন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নেতৃত্বশূন্যতার অবসান হলেও দুদকের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করা। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগে নতুন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


 

 

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, সম্ভাব্য নাম ‘অর্ণব’; বাংলাদেশে আঘাতের আশঙ্কা কম

দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে নতুন অধ্যায়, দুদকের চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

আপডেটের সময়: ০৪:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য থাকার পর নতুন কমিশনের মাধ্যমে আবারও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বুধবার নতুন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

সকাল ৯টার দিকে নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে সকাল ১০টায় তারা দুদকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় দুদক সচিব সাইদুর রহমান, মহাপরিচালকসহ উপপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর চাওয়াতেই ইশরাকের পদত্যাগ: জামায়াত আমির

১৬৬ দিন পর নতুন কমিশন

এর আগে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য ছিল প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারা অনুসারে তিনজনকে প্রথমে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে একই আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  খালেদা জিয়ার আদলে সাজ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মেঘনা আলমের

দুদক আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে নতুন কমিশনের সদস্যরা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

কে এই এ কে এম আসাদুজ্জামান?

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি হিসেবে অবসর নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট স্থায়ী বিচারপতি হন। পরে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নেতৃত্বশূন্যতার অবসান হলেও দুদকের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করা। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগে নতুন কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।