ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রামিসা হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) মামলাটি শুনানির জন্য ২২ নম্বরে রাখা হয়েছে।

যেভাবে ঘটে রামিসা হত্যাকাণ্ড

গত ১৯ মে পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর ঘরের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা। পরে পুলিশ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুনঃ  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা চলছে: রিজভী

অন্যদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলার পর ২১ মে সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

দ্রুত শেষ হয় বিচারকাজ

মামলার তদন্ত শেষে ২৫ মে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

আরও পড়ুনঃ  মিশরে শ্রমিকবাহী দুই পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ১৮

এরপর ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

সবশেষে ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন।

দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

রায়ে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  চাকরি ছাড়ার ঘোষণা, তবু তলব এয়ার ইন্ডিয়ার বিদায়ী সিইওকে

তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এখন দুই আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রামিসা হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

আপডেটের সময়: ০৩:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) মামলাটি শুনানির জন্য ২২ নম্বরে রাখা হয়েছে।

যেভাবে ঘটে রামিসা হত্যাকাণ্ড

গত ১৯ মে পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর ঘরের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা। পরে পুলিশ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুনঃ  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা চলছে: রিজভী

অন্যদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলার পর ২১ মে সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

দ্রুত শেষ হয় বিচারকাজ

মামলার তদন্ত শেষে ২৫ মে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

আরও পড়ুনঃ  থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন দুয়ার, চুক্তির আগ্রহ প্রকাশ

এরপর ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

সবশেষে ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন।

দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

রায়ে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এখন দুই আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত হবে।