নতুন আইফোন হাতে অভিনেতা কুশাল টন্ডন। তবে তার শরীরজুড়ে ব্যান্ডেজ! এমন ছবি দেখে যে কারও মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে—কী ঘটেছে অভিনেতার? কিন্তু ছবির সঙ্গে কুশালের মন্তব্য শুনলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। আসলে পুরো ঘটনাটিই ছিল তার মজার ছলে করা কাণ্ড।
ব্যান্ডেজে মোড়ানো শরীর, হাতে নতুন আইফোন
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি ছবি প্রকাশ করেন কুশাল টন্ডন। ছবিতে দেখা যায়, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যান্ডেজ বাঁধা এবং হাতে নতুন মডেলের আইফোন।
ছবিটির সঙ্গে কুশাল লেখেন, “তাৎক্ষণিকভাবে টাকা জোগাড় করতে আমাকে এটাই করতে হলো।”
এই মন্তব্যের পরই শুরু হয় নানা জল্পনা। তবে কুশালের পোস্টের ধরন থেকেই বোঝা যায়, বিষয়টি বাস্তব কোনো ঘটনা নয়; বরং নতুন আইফোনের চড়া দাম নিয়ে তার নিছক রসিকতা।
কিডনি বিক্রির গল্প আসলে মজা
নতুন ফোন কিনতে গিয়ে এমন অবস্থা হয়েছে যে কিডনি বিক্রি করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না—ছবির মাধ্যমে এমনটাই বোঝাতে চেয়েছেন অভিনেতা।
অর্থাৎ সত্যি সত্যি কিডনি বিক্রি করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং দামি আইফোন কেনার পর নিজের আর্থিক অবস্থাকে অতিরঞ্জিত করে দেখিয়ে অনুরাগীদের হাসাতেই এমন ছবি ও মন্তব্য করেছেন কুশাল।
বন্ধুরাও যোগ দিলেন মজায়
কুশালের পোস্টের পর তার বন্ধু ও অনুরাগীরাও মেতে ওঠেন হাসি-ঠাট্টায়। কোরিয়োগ্রাফার জায়েদ দরবার মজার ছলে মন্তব্য করেন, “দুটো কিডনিই কি বিক্রি করে দিয়েছ, না কি একটা এখনও বাকি?”
অনুরাগীরাও কম যাননি। কেউ জানতে চেয়েছেন, কুশালের মাথায় এমন মজার ভাবনা কীভাবে আসে। আবার কেউ ব্যান্ডেজে মোড়ানো শরীর আর হাতে আইফোনের ছবি দেখে প্রথমে সত্যিই চমকে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
সত্যিই কি নতুন আইফোন কিনেছেন?
তবে কুশাল বাস্তবে নতুন আইফোন কিনেছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে তৈরি কি না, তা নিয়েও কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই।
তাই আপাতত কুশালের ‘কিডনি বিক্রি’কে সত্য ঘটনা হিসেবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বরং নতুন আইফোনের দাম নিয়ে অভিনেতার মজার পোস্ট হিসেবেই বিষয়টি দেখছেন তার ভক্তরা।
প্রতিবেদকের নাম 




















