ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

নানা সমস্যায় জর্জরিত রাণীনগরের বৃহত্তম চকাদিন মাদ্রাসা-এতিমখানা

নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চকাদিন ও চককুতুব সুবহানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দানশীল ব্যক্তি ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে দীর্ঘদিনেও অবকাঠামোগত নানা সমস্যা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক, এতিম ও দোস্ত বিভাগ মিলিয়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ জন এতিম শিক্ষার্থী। তাদের পাঠদান ও দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন ২২ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী।

আরও পড়ুনঃ  বড় বাজারে আগুনে পুড়ল ৭ দোকান, তিন ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম মুফতি মো. আব্দুর রউফ বলেন, সরকারি সহযোগিতা খুবই সীমিত। প্রয়োজনের তুলনায় এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য যে সহায়তা পাওয়া যায়, তা অপ্রতুল। স্থানীয় বাসিন্দা ও দানশীল ব্যক্তিদের সাহায্য-সহযোগিতার ওপর নির্ভর করেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসাটির অবকাঠামোগত বেশ কিছু কাজ এখনো বাকি। বিভিন্ন ব্যক্তির সহায়তায় উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে আবাসিক সংকট কিছুটা কমলেও পর্যাপ্ত আধুনিক আবাসন না থাকায় এখনো অনেক শিক্ষার্থীকে পুরোনো টিনের কক্ষে থাকতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ভারত থেকে ২.৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি

এদিকে, মাদ্রাসার ভেতরে একটি বহুতল মসজিদ নির্মাণের কাজও দীর্ঘদিন ধরে চলমান। অর্থসংকটের কারণে নির্মাণকাজ এখনো পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি।

তবে সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় মাদ্রাসার পূর্ব পাশে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেকটা উন্নত হয়েছে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান বলেন, উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। সরকারি বিভিন্ন সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘জেন-জি’ই দেশের চালিকাশক্তি, আগের মন্তব্য থেকে ইউ-টার্ন কঙ্গনার

তিনি আরও জানান, মাদ্রাসার পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা ও এতিম শিশুদের আশ্রয় দিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত সংকট দূর করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নানা সমস্যায় জর্জরিত রাণীনগরের বৃহত্তম চকাদিন মাদ্রাসা-এতিমখানা

আপডেটের সময়: ১২:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চকাদিন ও চককুতুব সুবহানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দানশীল ব্যক্তি ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে দীর্ঘদিনেও অবকাঠামোগত নানা সমস্যা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক, এতিম ও দোস্ত বিভাগ মিলিয়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ জন এতিম শিক্ষার্থী। তাদের পাঠদান ও দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন ২২ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী।

আরও পড়ুনঃ  বাড়ির পেছনে ১১ প্যাকেট, গৃহবধূ হত্যার ঘটনায় ভাড়াটিয়া আটক

প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম মুফতি মো. আব্দুর রউফ বলেন, সরকারি সহযোগিতা খুবই সীমিত। প্রয়োজনের তুলনায় এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য যে সহায়তা পাওয়া যায়, তা অপ্রতুল। স্থানীয় বাসিন্দা ও দানশীল ব্যক্তিদের সাহায্য-সহযোগিতার ওপর নির্ভর করেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসাটির অবকাঠামোগত বেশ কিছু কাজ এখনো বাকি। বিভিন্ন ব্যক্তির সহায়তায় উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি দোতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে আবাসিক সংকট কিছুটা কমলেও পর্যাপ্ত আধুনিক আবাসন না থাকায় এখনো অনেক শিক্ষার্থীকে পুরোনো টিনের কক্ষে থাকতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ভারত থেকে ২.৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি

এদিকে, মাদ্রাসার ভেতরে একটি বহুতল মসজিদ নির্মাণের কাজও দীর্ঘদিন ধরে চলমান। অর্থসংকটের কারণে নির্মাণকাজ এখনো পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি।

তবে সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় মাদ্রাসার পূর্ব পাশে নিরাপত্তা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেকটা উন্নত হয়েছে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান বলেন, উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। সরকারি বিভিন্ন সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু, আত্মহত্যার আশঙ্কা

তিনি আরও জানান, মাদ্রাসার পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা ও এতিম শিশুদের আশ্রয় দিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত সংকট দূর করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।