তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনেই জোটের সদস্যদেশগুলোর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং গ্রিনল্যান্ড ইস্যুকে কেন্দ্র করে সম্মেলনের শুরুতেই ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন প্রকাশ্যে আসে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে যোগ দেন ট্রাম্পসহ ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা। সম্মেলনের মূল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে বুধবার (৮ জুলাই)।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোর বর্তমান কার্যক্রম এবং অনেক মিত্রদেশের আচরণে তিনি গভীরভাবে হতাশ। এমনকি সম্মেলনটি তুরস্কে না হলে তিনি এতে অংশ নাও নিতে পারতেন বলে মন্তব্য করেন।
এরদোয়ানকে নিজের “বন্ধু” উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তিনি একজন শক্তিশালী নেতা এবং তার উপস্থিতির কারণেই এই সম্মেলনে যোগ দেওয়া সহজ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রসঙ্গও তোলেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, ওই পরিস্থিতিতে ইউরোপের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাশিত সমর্থন দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, “ইরানে আমরা যা করেছি, তার জন্য আমাদের ভালোভাবে দেখা হয়নি। আমরা শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছি, অথচ তারা আমাদের পাশে নেই। আমরা সব সময়ই তাদের পাশে থেকেছি।”
তিনি সরাসরি ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সের নাম উল্লেখ করে বলেন, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যে ন্যাটো সম্মেলনের প্রথম দিনেই কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















