ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পাঁচ বছর পর বাড়ি ফিরে মাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:২১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

 

যশোর সদর উপজেলায় মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার দেয়াড়া মডেল ইউনিয়নের বাজে-দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ারা খাতুন (৫৫) স্থানীয় আলতাব মাস্টারের স্ত্রী। অভিযুক্ত তার বড় ছেলে মামুন। তিনি ঝিকরগাছার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  এআই ব্যবহারে আরও দক্ষ হবে সরকার, সহজ হবে নাগরিক সেবা

স্থানীয় ইউপি সদস্য রব্বানী হোসেন জানান, মামুন এর আগে দুটি বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য কলহের কারণে দুই স্ত্রীর সঙ্গেই তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। মায়ের কারণেই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে—এমন ধারণা থেকে মামুনের সঙ্গে তার মায়ের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাড়ির বাইরে থাকতেন। প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে ফেরেন।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গুয়ার হাওরে যাওয়ার আগেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, নদীতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু

বিকেলে বাড়িতে ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে মামুন সেখান থেকে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুনঃ  চার দিনে রিজার্ভ বাড়ল ১১৯ মিলিয়ন ডলার, ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) মুন্না বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পাঁচ বছর পর বাড়ি ফিরে মাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৯:২১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

যশোর সদর উপজেলায় মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার দেয়াড়া মডেল ইউনিয়নের বাজে-দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ারা খাতুন (৫৫) স্থানীয় আলতাব মাস্টারের স্ত্রী। অভিযুক্ত তার বড় ছেলে মামুন। তিনি ঝিকরগাছার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  লঘুচাপে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোথাও হতে পারে ভারী বর্ষণ

স্থানীয় ইউপি সদস্য রব্বানী হোসেন জানান, মামুন এর আগে দুটি বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য কলহের কারণে দুই স্ত্রীর সঙ্গেই তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। মায়ের কারণেই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে—এমন ধারণা থেকে মামুনের সঙ্গে তার মায়ের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাড়ির বাইরে থাকতেন। প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে ফেরেন।

আরও পড়ুনঃ  ডাকসুর সাহিত্য পত্রিকা ‘আভাস’–এর প্রথম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন

বিকেলে বাড়িতে ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে গলায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে মামুন সেখান থেকে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুনঃ  বিমানবন্দর এলাকা থেকে ৪০ ভবঘুরে-ভিক্ষুক আটক

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) মুন্না বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।