নিরাপদ বিনিয়োগ এবং নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ১৯৭৭ সালে এই সঞ্চয়পত্র চালু করে। বর্তমানে নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী এতে বিনিয়োগ করলে বার্ষিক ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগের অর্থের পাশাপাশি অর্জিত মুনাফাও উত্তোলন করা যায়।
কারা কিনতে পারবেন?
সব শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।
এ ছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২)-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২)-এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিলও এ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারে।
সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
কোথা থেকে কিনবেন?
পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়—
- জেলা সঞ্চয় অফিস
- জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
- তফসিলি ব্যাংক
- ডাকঘর
কী কী সুবিধা পাবেন?
- সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় এটি তুলনামূলক নিরাপদ।
- বার্ষিক নির্ধারিত হারে আকর্ষণীয় মুনাফা পাওয়া যায়।
- দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে কার্যকর।
- বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।
- সঞ্চয়পত্রে নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে।
- সঞ্চয়পত্রধারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।
নিরাপদ বিনিয়োগ, নিশ্চিত মুনাফা এবং সরকারি নিশ্চয়তার কারণে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চয়মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।
প্রতিবেদকের নাম 




















