ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এসএসসির ফলাফলে পাস ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই এগিয়ে ঢাকা বোর্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: অলি আহমদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল ১১ দলীয় জোট শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা, বিচার বিভাগ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য এসএসসিতে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে, কেউ পাস করেনি ৩১২টিতে ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫, দেশসেরা ফল নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলে রাজশাহী বোর্ডে পাস ও জিপিএ-৫—দুই দিকেই সেরা বগুড়া পাঁচ বছরের মধ্যে এসএসসির ফল সবচেয়ে খারাপ, কমেছে জিপিএ-৫ও ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দেবেন এমপিরা আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ডলার ১২৩.৮২, পাউন্ড ১৬৭.১০ টাকা ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পায়রা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনপদ, ঝুঁকিতে ফসলি জমি ও শতাধিক বসতঘর

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে তীব্র ভাঙন আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে। বর্ষার শুরুতেই নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় ফসলি জমি, বসতঘর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দশক ধরে পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারও বর্ষার শুরুতেই ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা খবির শিকদার জানান, নদীভাঙনে তিনি ইতোমধ্যে পাঁচবার বসতভিটা ও জমি হারিয়েছেন। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও সবকিছু হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে অনেকের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে পিঁপড়াখালী, সুন্দরা কালিকাপুর ও কালিকাপুর গ্রামের বহু পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এক বাসিন্দা জানান, তার বাড়িটি ইতোমধ্যে হেলে পড়েছে এবং যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুমকি উপজেলার বাহেরচর, আঙ্গারিয়া এবং মির্জাগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হলেও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. শাহজাহান খান বলেন, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।

এদিকে, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, চলতি বছর নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১০ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জনগণের দাবি জানাতেই সচিবালয়ের সামনে এসেছি: জামায়াত আমির

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোথাও পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের জীবন-জীবিকা এবং বসতভিটা রক্ষা করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এসএসসির ফলাফলে পাস ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই এগিয়ে ঢাকা বোর্ড

পায়রা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনপদ, ঝুঁকিতে ফসলি জমি ও শতাধিক বসতঘর

আপডেটের সময়: ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে তীব্র ভাঙন আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে। বর্ষার শুরুতেই নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় ফসলি জমি, বসতঘর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দশক ধরে পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারও বর্ষার শুরুতেই ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থামাতে মার্কিন সিনেটে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব

মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা খবির শিকদার জানান, নদীভাঙনে তিনি ইতোমধ্যে পাঁচবার বসতভিটা ও জমি হারিয়েছেন। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও সবকিছু হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে অনেকের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে পিঁপড়াখালী, সুন্দরা কালিকাপুর ও কালিকাপুর গ্রামের বহু পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এক বাসিন্দা জানান, তার বাড়িটি ইতোমধ্যে হেলে পড়েছে এবং যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ‘হাসিনা কার্ড খেলবেন আর বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন, দুটো বিপরীত’

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুমকি উপজেলার বাহেরচর, আঙ্গারিয়া এবং মির্জাগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হলেও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. শাহজাহান খান বলেন, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।

এদিকে, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, চলতি বছর নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১০ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোথাও পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের জীবন-জীবিকা এবং বসতভিটা রক্ষা করা হবে।