ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী সাড়ে ১৪ কোটি টাকার গাঁজাসহ বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার মডেল মাদকাসক্ত পিতার নির্যাতনে প্রাণ গেল দুই মাসের শিশু জুনায়েদের নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় উত্তাল ক্রিকেট অঙ্গন, বিসিবির তীব্র নিন্দা নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত বাজেটে ছাড়, বাজারে স্বস্তির অপেক্ষায় ভোক্তা বাজেট ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন’: অর্থমন্ত্রী কুয়েতে জাল স্ট্যাম্প বিক্রির অভিযোগে ৫ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার নূরজাহান বেগমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আলোচনা ও মন্তব্য ভারতীয় হাইকমিশনারের মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করেছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত নয়, বরং ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরানের হামলার পর ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ

এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে।

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে, ১৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে।

তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বজায় রেখেছে। এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ   “শিরোপা আর্জেন্টিনারই থাকবে”—ব্রাজিলকে হারানোর আত্মবিশ্বাসে মার্টিনেজের ভবিষ্যদ্বাণী

ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

আপডেটের সময়: ০৭:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করেছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত নয়, বরং ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ   “শিরোপা আর্জেন্টিনারই থাকবে”—ব্রাজিলকে হারানোর আত্মবিশ্বাসে মার্টিনেজের ভবিষ্যদ্বাণী

এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে।

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

আরও পড়ুনঃ  বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে।

তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বজায় রেখেছে। এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে, ১৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি