সিলেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট ও কমেন্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাসেল আহমদ শাহ (২৩) নিহত হওয়ার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার পাঁচ দিন পর বুধবার (৭ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সিলাম শেখপাড়ার আব্দুল মুকিত মকুর ছেলে ইয়াসির আহমেদ ফাহিম এবং আচার মিয়ার ছেলে আব্দুস সামাদ।
মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রাসেল হত্যা মামলায় সুনামগঞ্জ থেকে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের এখনো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গত ২ অক্টোবর জুমার নামাজের পর দক্ষিণ সুরমার সিলাম চকেরবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজনের পোস্টে অন্যজনের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি হলে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাসেল আহমদ শাহ ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।
তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। পরে দুই পক্ষ ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা ও মোগলাবাজার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার রাসেলের দাফন সম্পন্ন হয়। পরদিন রোববার বিকেলে নিহতের মা মোছাম্মৎ রাজনা বেগম মোগলাবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 
























