ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র-সংকটের তথ্য জানতেন না ট্রাম্প, হেগসেথের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বোনের বিয়ের বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরলেন ভাই দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব হাসপাতালে সার্কুলারের নির্দেশ হাইকোর্টের আলভারেজকে পেতে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে প্রস্তুত বার্সেলোনা! চাঁদপুরে মামলা পরিচালনাকালে আইনজীবীর মৃত্যু হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হলো কল রেকর্ড অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী, উপহার দিলেন হারমোনিয়াম বাদ দিতে হলো ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার ৪ মিনিটের দৃশ্য
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বগুড়ায় সামরিক ড্রোন কারখানা হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে বৃহত্তর বগুড়ায় মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বৃহত্তর বগুড়ায় ড্রোন কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এবং অন্যান্য আধুনিক সামরিক সক্ষমতা যুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জীবননগরে নকল হারপিক তৈরির অভিযোগে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

তিনি জানান, আগামী ১০ বছরে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভরশীল এবং যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। এতে জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং সাবমেরিন সংযোজনের উদ্যোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শতবর্ষে না ফেরার দেশে সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ. আর. খান

তিনি আরও বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন) প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। একই সঙ্গে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে

এদিকে নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে তিন বছর ও সাত বছর মেয়াদি পৃথক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা

বগুড়ায় সামরিক ড্রোন কারখানা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৮:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

 

জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে বৃহত্তর বগুড়ায় মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বৃহত্তর বগুড়ায় ড্রোন কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এবং অন্যান্য আধুনিক সামরিক সক্ষমতা যুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফিরে দেখা ৪ আগস্ট ২০২৪: ‘মার্চ টু ঢাকা’ একদিন এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত কেন ছিল ঐতিহাসিক

তিনি জানান, আগামী ১০ বছরে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভরশীল এবং যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। এতে জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।

নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং সাবমেরিন সংযোজনের উদ্যোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শতবর্ষে না ফেরার দেশে সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ. আর. খান

তিনি আরও বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন) প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। একই সঙ্গে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে

এদিকে নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে তিন বছর ও সাত বছর মেয়াদি পৃথক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।