দেশের মধ্যাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সাতটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (৪ মে) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী তিন দিনে আরও কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে আগে থেকেই প্লাবিত হাওরাঞ্চলে নতুন করে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং কিছু নতুন এলাকাও পানির নিচে চলে যেতে পারে।
বর্তমানে সুনামগঞ্জের নালজুর নদী, নেত্রকোনার বাউলাই, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীসহ একাধিক নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। হবিগঞ্জের সুতাং নদীর পানিও বিপৎসীমার অনেক ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন বাড়তে পারে। দ্বিতীয় দিনে কুশিয়ারা নদীর কিছু অংশে বিপৎসীমা অতিক্রমের শঙ্কাও রয়েছে।

অন্যদিকে নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের ধনু-বাউলাই নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও ওই এলাকার হাওরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি পরবর্তী সময়ে আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে কেন্দ্রটি।
এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের বেশ কয়েকটি বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















