বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে আবারও পতন হয়েছে। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডের সুদহার বৃদ্ধি এবং উচ্চ সুদহার দীর্ঘদিন বহাল থাকার আশঙ্কায় চাপে পড়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে দরপতনের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৫৬ ডলার
ভিয়েতনাম সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল প্রায় ৪ হাজার ৩৫৬ ডলার। আগের দিনের তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
একই সময়ে প্রতি আউন্স রুপার দাম ছিল ৬৫ দশমিক ৬৩ ডলার, প্লাটিনাম ১ হাজার ৮২৪ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ১ হাজার ৩৩৬ ডলার।
উচ্চ সুদহারের আশঙ্কায় চাপে স্বর্ণ
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার অন্যতম কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সতর্ক মুদ্রানীতির সম্ভাবনাকে দেখা হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেড উচ্চ সুদহার আরও কিছুদিন ধরে রাখতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। এর ফলে তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণে চাপ পড়ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন সরকারি বন্ডের সুদহার বেড়ে প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশে উঠেছে। একই সময়ে শক্তিশালী হয়েছে মার্কিন ডলার।
দেশের বাজারেও কমতে পারে দাম
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পতন দেশের বাজারেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও দাম সমন্বয় হতে পারে। তবে স্থানীয় বাজারে কতটা দাম কমবে, তা নির্ভর করবে ডলার-টাকার বিনিময় হার, দেশে স্বর্ণের চাহিদা ও সরবরাহ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর।
প্রতিবেদকের নাম 




















