বৃষ্টির কারণে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘোড়াঘাট অংশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও উঁচু-নিচু ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্কতামূলক কোনো সাইনবোর্ড বা ব্যারিকেড না থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঘোড়াঘাট বাস টার্মিনাল থেকে হরিপাড়া হাট পর্যন্ত মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকদের জন্য ঝুঁকি আরও বেড়েছে। এর মধ্যে রানীগঞ্জ বাজারসংলগ্ন ব্র্যাক অফিসের সামনের অংশের সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এমন বেহাল অবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। দ্রুত সংস্কার এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা নির্দেশক স্থাপন না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
মোটরসাইকেল চালক উপজেলার সোনারপাড়া গ্রামের আব্দুল আলিম বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টির সময় গর্তগুলো পানিতে ঢেকে যাওয়ায় কোথায় গর্ত রয়েছে তা বোঝা যায় না। ফলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি থাকে।
মাইক্রোবাস চালক মেহেদী হাসান বলেন, সড়কের উঁচু-নিচু অংশ ও গর্তের কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে কিংবা বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ১০৬ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রশস্ত ও সংস্কারের জন্য ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৮৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ১ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়।
এ বিষয়ে সওজ দিনাজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিয়ে দ্রুত পরিদর্শন করিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















