ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ নিয়ে সমঝোতার আভাস, তবে ট্রাম্পের জন্য সুখবর নয় উগান্ডা-পাকিস্তানের পাঁচ খেলোয়াড় ‘নিখোঁজ’ কমনওয়েলথ গেমসের পর ঝিনাইদহে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যেভাবে প্রবেশ করবেন জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কিমের ‘১২০ ক্ষেপণাস্ত্র’ পুতিনের হাতে, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের আশঙ্কা কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে পাহাড়ধস, মেরিন ড্রাইভে যান চলাচলে বিঘ্ন শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান ‘দ্বিমুখী’ বলে মন্তব্য রিজভীর ফরিদপুরে রেলস্টেশন থেকে নিখোঁজ শিশু, এক বছর ধরেও সন্তানের অপেক্ষায় মা ‘শিয়ালের হাতে মুরগি তুলে দেওয়ার মতো ভুল করেছি’— রেজাউল করীম
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মৌলভীবাজারে নদীর পানি কমলেও ভাঙা বাঁধ দিয়ে ঢুকছে বন্যার পানি, পানিবন্দী হাজারো মানুষ

উজানে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় মৌলভীবাজারের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। তবে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সেই ভাঙনপথ দিয়েই এখনও বন্যার পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে, ফলে দুর্ভোগ কাটেনি জেলার বন্যাকবলিত মানুষের।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে মনু নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনও বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ধলাই, জুড়ী ও কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর ও একামধু এলাকায় এবং কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শিকরিয়া এলাকায় মনু নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। এসব ভাঙা অংশ দিয়ে এখনও প্রবল স্রোতে বন্যার পানি ঢুকে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।

আরও পড়ুনঃ  কাল ঢাকায় ‘ফার্স্ট কনক্লেভ অন জুলাই রেভ্যুলেশন’

বন্যার কারণে জেলার ৪৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৪০০ মানুষ অবস্থান করছেন। এছাড়া রাজনগর উপজেলার বন্যাদুর্গতদের জন্য দুই মেট্রিক টন চাল বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর শুরু, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ জানান, নদীর পানির স্তর কমলেও বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে এখনও পানি প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ নিয়ে সমঝোতার আভাস, তবে ট্রাম্পের জন্য সুখবর নয়

মৌলভীবাজারে নদীর পানি কমলেও ভাঙা বাঁধ দিয়ে ঢুকছে বন্যার পানি, পানিবন্দী হাজারো মানুষ

আপডেটের সময়: ০৯:৪১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

উজানে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় মৌলভীবাজারের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। তবে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সেই ভাঙনপথ দিয়েই এখনও বন্যার পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে, ফলে দুর্ভোগ কাটেনি জেলার বন্যাকবলিত মানুষের।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে মনু নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনও বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ধলাই, জুড়ী ও কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  যেভাবে প্রবেশ করবেন জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর ও একামধু এলাকায় এবং কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শিকরিয়া এলাকায় মনু নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। এসব ভাঙা অংশ দিয়ে এখনও প্রবল স্রোতে বন্যার পানি ঢুকে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।

আরও পড়ুনঃ  উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু

বন্যার কারণে জেলার ৪৫টি গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৪০০ মানুষ অবস্থান করছেন। এছাড়া রাজনগর উপজেলার বন্যাদুর্গতদের জন্য দুই মেট্রিক টন চাল বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ জানান, নদীর পানির স্তর কমলেও বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে এখনও পানি প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।