যশোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ২৭ নেতাকর্মীসহ মোট ১৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারকরা সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
রাতভর পৃথক অভিযান
পুলিশ জানায়, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য ও ককটেল সদৃশ বস্তুসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগের ২৭ নেতাকর্মীর মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাবেক নেতাকর্মী এবং আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য, তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।
যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখহাটির মোমেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই রাতে রূপদিয়া এলাকা থেকে আলোচিত যুবলীগ কর্মী বিপুল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের আরও ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আরও ১২৮
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া বাকি ১২৮ জনের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, বিস্ফোরক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং বিভিন্ন ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ অভিযানের সময় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাদকদ্রব্য ও ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান অব্যাহত থাকবে
যশোর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের ২৭ নেতাকর্মীসহ মোট ১৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদকদ্রব্য ও ককটেল সদৃশ বস্তুসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















