ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্তে দেরি হলে সংকট আরও বাড়বে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাংলাদেশের সঙ্গে ৩৪ দেশের ভিসা ছাড়ের চুক্তি, কোন পাসপোর্টে মিলবে সুবিধা? দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে আরও ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার এআই ব্যবহারে আরও দক্ষ হবে সরকার, সহজ হবে নাগরিক সেবা ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁও সফরে মির্জা ফখরুল কৃষি মৌসুমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩.৬৫ লাখ টন সার আমদানি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনই বলা যাচ্ছে না: সিইসি আবারও ক্যানসার শনাক্ত, নতুন লড়াইয়ে সামিয়া আফরিন
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পূর্তি শুধু অতীত পর্যালোচনার সময় নয়; বরং নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। টেকসই সমাধান ছাড়া আরেকটি দশক পার হতে দেওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ১০ বাস পাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। বর্তমানে দেশে ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এতে বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসেবা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু যে সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তার সমাধান একা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে পরিণত না হয়। খাদ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা রোহিঙ্গাদের জন্য অপরিহার্য।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে উল্লেখ করে শামা বলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে প্রত্যাবাসনের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুনঃ  চিনিতে লোকসান, অ্যালকোহলে বাজিমাত—কেরুর মুনাফা ছাড়াল ১৬৫ কোটি টাকা

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর করতে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় চ্যানেল, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি বা সংহতির বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ, পূর্বানুমেয় অর্থায়ন, ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ, ঘর, মর্যাদা এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পূর্তি শুধু অতীত পর্যালোচনার সময় নয়; বরং নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। টেকসই সমাধান ছাড়া আরেকটি দশক পার হতে দেওয়া উচিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  আকাশসীমা নজরদারির নতুন যুগে বাংলাদেশ

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। বর্তমানে দেশে ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এতে বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসেবা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু যে সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তার সমাধান একা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে পরিণত না হয়। খাদ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা রোহিঙ্গাদের জন্য অপরিহার্য।

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে উল্লেখ করে শামা বলেন, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে প্রত্যাবাসনের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ১০ বাস পাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর করতে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় চ্যানেল, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি বা সংহতির বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ, পূর্বানুমেয় অর্থায়ন, ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা শুধু বেঁচে থাকার জন্য নয়, একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ, ঘর, মর্যাদা এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে।