চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
সোমবার (২৯ জুন) সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ দিন নির্ধারণ করেন।
টানা তৃতীয় দিনের মতো আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিজানুর রহমান। তিনি আদালতে দাবি করেন, মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপাদান নেই এবং তদন্তেও নানা ত্রুটি রয়েছে।
অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল কাইয়ুম। এর আগে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরাও আদালতে শুনানি করেন।
গত ২২ জুন প্রসিকিউশন ২২ আসামির বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের ভিত্তি (প্রাইমা ফেসি) রয়েছে উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করে। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আদেশের জন্য ৩০ জুন দিন নির্ধারণ করেন।
মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ এবং দেবাশীষ পাল দেবু। সোমবার ফজলে করিম ছাড়া বাকি চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচ এম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।
এর আগে, গত ৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল তিনটি অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। মামলার অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত, মো. ফারুক, তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে হত্যার পাশাপাশি জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















