ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে প্রশ্নটা এখন উঠতেই পারে—পর্তুগাল দলে কি তার ভূমিকা বদলাচ্ছে? উয়েফা নেশনস লিগের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে বেঞ্চে থাকা নিয়েই বেশি আলোচনায় এসেছেন পর্তুগিজ তারকা।
ওয়েলসের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে রোনালদোর একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। পরে গোলের কাছ থেকে পাওয়া সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ম্যাচ শেষ হওয়ার ২৫ মিনিট আগে তাকে তুলে নেন কোচ জর্জ জেসুস।
রোনালদোকে তুলে নেওয়ার ব্যাখ্যায় জেসুস জানিয়েছিলেন, ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় তখন গনসালো রামোসের মতো চাপ তৈরি করতে পারে এমন একজন শক্তিশালী খেলোয়াড় প্রয়োজন ছিল।
পরের ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে সেই রামোসকেই শুরুর একাদশে রাখা হয়। পর্তুগাল ম্যাচটি ২-১ গোলে জেতে এবং রামোসও গোল করেন। প্রথম ম্যাচের মতো এবারও জালের দেখা পান জোয়াও ফেলিক্স।
তবে পুরো ম্যাচেই মাঠের বাইরে ছিলেন রোনালদো। তাকে বদলি হিসেবেও নামাননি জেসুস। এর মাধ্যমে ১৮ বছরেরও বেশি সময় পর এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন পর্তুগিজ তারকা।
সর্বশেষ ২০০৮ সালের ১৫ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ইউরোর গ্রুপ পর্বের ম্যাচে রোনালদোকে মাঠে নামানো হয়নি। এরপর দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম পর্তুগালের কোনো ম্যাচে পুরোটা সময় বেঞ্চে কাটালেন তিনি।
নরওয়ের বিপক্ষে কেন রোনালদোকে মাঠে নামানো হয়নি, তা ব্যাখ্যা করেছেন জেসুস। তিনি জানান, ম্যাচের শেষ আধা ঘণ্টায় রোনালদোকে নামানোর বিষয়ে তার সঙ্গে কথাও হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
জেসুস বলেন, রামোস ভালো খেলছিলেন, একটি গোল করেছিলেন এবং তার আরও একটি গোল বাতিল হয়েছিল। তাই তাকে তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। রোনালদোকে বিশ্রাম দেওয়ার উদ্দেশ্যে বসিয়ে রাখা হয়নি বলেও জানান তিনি। কোচের ভাষ্য, রোনালদো যতক্ষণ খেলতে চেয়েছিলেন, ততক্ষণ খেলার মতোই পুরোপুরি ফিট ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 
























