ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পেনশনভোগী মারা গেলে টাকা পাবেন কে? ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ চার ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত ৯৭ বছরের বৃদ্ধা চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন কনটেইনার টার্মিনাল, ভিত্তিপ্রস্তর রোববার টেক্সাসের স্কুলে হঠাৎ ছুরি হামলা, আহত তিন কিশোর ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ কাদের, স্বামীকে ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে গরম সন্ধ্যার পর কিছুটা কমলেও রাতে ফের বাড়তে পারে ঘাটতি লিখিত পরীক্ষায় ‘প্রক্সি’, মৌখিক পরীক্ষায় ধরা—আটক ৬ প্রার্থী ঝুঁকিপূর্ণ ১৪ উপজেলায় কলেরার টিকাদান শুরু, স্বস্তিতে অভিভাবকরা চুয়াডাঙ্গার ৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

৬৪ জেলায় মন্ত্রীদের বিশেষ দায়িত্ব

 

দেশের ৬৪ জেলায় অপরাধ দমন ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। মোট ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে এসব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের আশা, দায়িত্বপ্রাপ্তরা মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নেও গতি বাড়বে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের দূরত্ব কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ব্যাংকের নৈশপ্রহরী, আতঙ্কে আমানতকারীরা

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সরকারের কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো এবং সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমলাতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সরকারের লক্ষ্য ঠিকভাবে অর্জিত হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। সেই ঘাটতি পূরণে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আইএমএফের কঠোর শর্তে আপত্তি, জনবান্ধব নীতিতে সরকারের নতুন অবস্থান

দায়িত্বপ্রাপ্তদের মূল কাজ হবে সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সার্বিক তদারকি এবং সমন্বয় করা। তবে তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা সাংবিধানিক সংস্থার আইনগত ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে না পারলে উল্টো জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কার নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে—এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ক্ষমা না চাইলে এনসিপির কর্মসূচি ঠেকানোর ঘোষণা

সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, রাজনৈতিক তদারকি যেন প্রশাসনের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর্যায়ে না যায়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

তবে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের কোনো সুযোগ নেই। বরং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পেনশনভোগী মারা গেলে টাকা পাবেন কে? ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

৬৪ জেলায় মন্ত্রীদের বিশেষ দায়িত্ব

আপডেটের সময়: ০১:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

 

দেশের ৬৪ জেলায় অপরাধ দমন ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। মোট ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে এসব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের আশা, দায়িত্বপ্রাপ্তরা মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নেও গতি বাড়বে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের দূরত্ব কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সরকারের কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো এবং সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমলাতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সরকারের লক্ষ্য ঠিকভাবে অর্জিত হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। সেই ঘাটতি পূরণে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল: নেতানিয়াহু

দায়িত্বপ্রাপ্তদের মূল কাজ হবে সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সার্বিক তদারকি এবং সমন্বয় করা। তবে তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা সাংবিধানিক সংস্থার আইনগত ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে না পারলে উল্টো জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কার নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে—এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মেট্রোরেল ও বর্জ্যবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধিতে দুর্নীতির অভিযোগ নাকচ

সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, রাজনৈতিক তদারকি যেন প্রশাসনের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর্যায়ে না যায়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

তবে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের কোনো সুযোগ নেই। বরং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।