ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

৮ বছরের জট কাটিয়ে গতি পেল বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ, ব্যয় বেড়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা

বগুড়া ও সিরাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্প নতুন করে গতি পেয়েছে। অর্থায়নের জট কাটিয়ে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এর সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। তবে আট বছর বিলম্বের কারণে প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা

বর্তমানে বগুড়া থেকে ঢাকায় ট্রেনে যেতে সান্তাহার, নাটোর ও ঈশ্বরদী হয়ে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়। নতুন ৭৬ কিলোমিটার রেলপথ চালু হলে ঢাকা-বগুড়া রেলপথের দূরত্ব ১১৪ কিলোমিটার কমবে, আর যাত্রাসময় কমবে প্রায় ৩ ঘণ্টা

আরও পড়ুনঃ  লাদাখ থেকে ফিরেই মিঠুনকে দেখতে হাসপাতালে ছুটলেন দেব

প্রকল্পটি ২০১৮ সালে একনেকে অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে সংশোধিত ডিপিপিতে ব্যয় বেড়ে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

শুরুতে প্রকল্পটি ভারতীয় ঋণের (এলওসি) মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই অর্থায়ন বাতিল হওয়ায় প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়ে। পরে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এআইআইবি অর্থায়নে সম্মত হওয়ায় নতুন করে কাজের অগ্রগতি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন থেকে বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় খাবার ‘নাসি গরেং’ তৈরি করুন সহজেই

প্রকল্পের আওতায় মোট ৮৬.৫১ কিলোমিটার মূল রেললাইন এবং ৩৭ কিলোমিটার লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে। রেলপথটি বগুড়া সদর, কাহালু, শাজাহানপুর, শেরপুর, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ওপর দিয়ে যাবে।

এ রুটে ১১টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে ৮টি নতুন স্টেশন নির্মাণ করা হবে এবং বগুড়া, কাহালু ও সদানন্দপুর—এই তিনটি স্টেশন আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া করতোয়া ও ইছামতি নদীর ওপর দুটি বড় সেতুসহ মোট ১২১টি ছোট-বড় সেতু, একটি রেল ওভারপাস এবং একটি সড়ক ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের অনেকে দেশের বাইরে

ভূমি অধিগ্রহণের কাজও এগিয়ে চলছে। বর্তমানে বগুড়া অংশে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়েছেন। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতোমধ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এটি শিগগিরই পরিকল্পনা কমিশন হয়ে একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৮ বছরের জট কাটিয়ে গতি পেল বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ, ব্যয় বেড়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা

আপডেটের সময়: ১১:০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বগুড়া ও সিরাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্প নতুন করে গতি পেয়েছে। অর্থায়নের জট কাটিয়ে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এর সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। তবে আট বছর বিলম্বের কারণে প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা

বর্তমানে বগুড়া থেকে ঢাকায় ট্রেনে যেতে সান্তাহার, নাটোর ও ঈশ্বরদী হয়ে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়। নতুন ৭৬ কিলোমিটার রেলপথ চালু হলে ঢাকা-বগুড়া রেলপথের দূরত্ব ১১৪ কিলোমিটার কমবে, আর যাত্রাসময় কমবে প্রায় ৩ ঘণ্টা

আরও পড়ুনঃ  হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হলো কল রেকর্ড

প্রকল্পটি ২০১৮ সালে একনেকে অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে সংশোধিত ডিপিপিতে ব্যয় বেড়ে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

শুরুতে প্রকল্পটি ভারতীয় ঋণের (এলওসি) মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই অর্থায়ন বাতিল হওয়ায় প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়ে। পরে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এআইআইবি অর্থায়নে সম্মত হওয়ায় নতুন করে কাজের অগ্রগতি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন থেকে বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় খাবার ‘নাসি গরেং’ তৈরি করুন সহজেই

প্রকল্পের আওতায় মোট ৮৬.৫১ কিলোমিটার মূল রেললাইন এবং ৩৭ কিলোমিটার লুপ লাইন নির্মাণ করা হবে। রেলপথটি বগুড়া সদর, কাহালু, শাজাহানপুর, শেরপুর, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ওপর দিয়ে যাবে।

এ রুটে ১১টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে ৮টি নতুন স্টেশন নির্মাণ করা হবে এবং বগুড়া, কাহালু ও সদানন্দপুর—এই তিনটি স্টেশন আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া করতোয়া ও ইছামতি নদীর ওপর দুটি বড় সেতুসহ মোট ১২১টি ছোট-বড় সেতু, একটি রেল ওভারপাস এবং একটি সড়ক ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফিরে দেখা জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন

ভূমি অধিগ্রহণের কাজও এগিয়ে চলছে। বর্তমানে বগুড়া অংশে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়েছেন। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতোমধ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এটি শিগগিরই পরিকল্পনা কমিশন হয়ে একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।