নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। এদিকে ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ বুলবুল মিয়ার কোনো সন্ধান মেলেনি।
রোববার দুপুরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোস্তাফা মিয়া (৪০) মারা যান। তিনি নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ওয়ার্কশপ কর্মচারী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন ভোরে নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর, দড়িগাঁওসহ আশপাশের এলাকায় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে, যা কয়েক দফায় সকাল পর্যন্ত চলে।
এর আগে সংঘর্ষের দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে অনিক মিয়া নিহত হন। পরদিন মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউছার মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ১৮ জুন নদীর পাড় থেকে আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সংঘর্ষের পর থেকেই স্থানীয় মোটরসাইকেল মেকানিক বুলবুল মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে পরিবার।
এ ঘটনায় এলাকায় ভাঙচুর, লুটপাট ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অনেক পরিবার এখনও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা চারজনে দাঁড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 


























