ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ পে-স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্তে দেরি হলে সংকট আরও বাড়বে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাংলাদেশের সঙ্গে ৩৪ দেশের ভিসা ছাড়ের চুক্তি, কোন পাসপোর্টে মিলবে সুবিধা? দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে আরও ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার এআই ব্যবহারে আরও দক্ষ হবে সরকার, সহজ হবে নাগরিক সেবা ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁও সফরে মির্জা ফখরুল কৃষি মৌসুমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩.৬৫ লাখ টন সার আমদানি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনই বলা যাচ্ছে না: সিইসি আবারও ক্যানসার শনাক্ত, নতুন লড়াইয়ে সামিয়া আফরিন
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

চিনিতে লোকসান, অ্যালকোহলে বাজিমাত—কেরুর মুনাফা ছাড়াল ১৬৫ কোটি টাকা

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানির চিনি উৎপাদন ইউনিট বছরের পর বছর লোকসান করলেও ডিস্টিলারি ও অন্যান্য ইউনিটে মুনাফার রেকর্ড গড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরুর নিট মুনাফা হয়েছে ১৬৫ কোটি টাকারও বেশি, যা স্মরণকালের রেকর্ড।

এর মধ্যে শুধু অ্যালকোহল বিক্রি থেকেই এসেছে প্রায় ২২৪ কোটি টাকা। বিপরীতে একই সময়ে চিনি কারখানায় লোকসান হয়েছে ৬০ কোটি টাকার বেশি।

প্রায় ৯০ বছরের পুরোনো রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। চিনি উৎপাদনে লোকসান থাকলেও অন্যান্য ইউনিটের আয়ে দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগের অর্থবছরে কেরু ১২৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল, যা তখন প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

আরও পড়ুনঃ  হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৩২

এবারও কেরুর মুনাফার সবচেয়ে বড় উৎস ডিস্টিলারি ইউনিট। বিলেতি ও দেশীয় মদ উৎপাদন ও বিক্রি করে এ ইউনিটে প্রায় ২২৪ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছে।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্টিলারি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক রাজিবুল হাসান জানান, ফরেন লিকারের উৎপাদন ও বিক্রি—দুটিই গত অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে মুনাফা ছিল ১৮৯ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে বেড়ে ২২৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা

এদিকে, চিনি উৎপাদন ইউনিটে এবার ৬০ কোটি টাকারও বেশি লোকসান হয়েছে। চিনিতে প্রতিবছর লোকসান হওয়া নিয়ে আখচাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

এছাড়াও জৈব সার কারখানা, বাণিজ্যিক খামার ও ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনিট থেকেও উল্লেখযোগ্য মুনাফা এসেছে। এসব মুনাফার সঙ্গে লোকসান ও রাজস্ব খাত সমন্বয় করে কেরুর নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুনঃ  অক্টোবরে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মিলবে সরাসরি বিদেশি ফ্লাইট

কেরু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীতে চিনি খাতের লোকসান আরও কমিয়ে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, প্রকল্পটি বছরজুড়ে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে লোকসানের পরিমাণ কমবে। আখের রিকভারি বাড়ার পাশাপাশি চাষিদের কাছ থেকে বেশি পরিমাণে আখ সংগ্রহ করা গেলে চিনির উৎপাদন বাড়বে এবং আখের অপচয়ও কমে আসবে।

তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

চিনিতে লোকসান, অ্যালকোহলে বাজিমাত—কেরুর মুনাফা ছাড়াল ১৬৫ কোটি টাকা

আপডেটের সময়: ০৮:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানির চিনি উৎপাদন ইউনিট বছরের পর বছর লোকসান করলেও ডিস্টিলারি ও অন্যান্য ইউনিটে মুনাফার রেকর্ড গড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরুর নিট মুনাফা হয়েছে ১৬৫ কোটি টাকারও বেশি, যা স্মরণকালের রেকর্ড।

এর মধ্যে শুধু অ্যালকোহল বিক্রি থেকেই এসেছে প্রায় ২২৪ কোটি টাকা। বিপরীতে একই সময়ে চিনি কারখানায় লোকসান হয়েছে ৬০ কোটি টাকার বেশি।

প্রায় ৯০ বছরের পুরোনো রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল কেরু অ্যান্ড কোম্পানি। চিনি উৎপাদনে লোকসান থাকলেও অন্যান্য ইউনিটের আয়ে দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগের অর্থবছরে কেরু ১২৯ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল, যা তখন প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

আরও পড়ুনঃ  অক্টোবরে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মিলবে সরাসরি বিদেশি ফ্লাইট

এবারও কেরুর মুনাফার সবচেয়ে বড় উৎস ডিস্টিলারি ইউনিট। বিলেতি ও দেশীয় মদ উৎপাদন ও বিক্রি করে এ ইউনিটে প্রায় ২২৪ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছে।

কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্টিলারি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক রাজিবুল হাসান জানান, ফরেন লিকারের উৎপাদন ও বিক্রি—দুটিই গত অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে মুনাফা ছিল ১৮৯ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরে বেড়ে ২২৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  এমপিওভুক্তির দাবিতে শহীদ মিনারে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন

এদিকে, চিনি উৎপাদন ইউনিটে এবার ৬০ কোটি টাকারও বেশি লোকসান হয়েছে। চিনিতে প্রতিবছর লোকসান হওয়া নিয়ে আখচাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

এছাড়াও জৈব সার কারখানা, বাণিজ্যিক খামার ও ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনিট থেকেও উল্লেখযোগ্য মুনাফা এসেছে। এসব মুনাফার সঙ্গে লোকসান ও রাজস্ব খাত সমন্বয় করে কেরুর নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনের

কেরু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীতে চিনি খাতের লোকসান আরও কমিয়ে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, প্রকল্পটি বছরজুড়ে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে লোকসানের পরিমাণ কমবে। আখের রিকভারি বাড়ার পাশাপাশি চাষিদের কাছ থেকে বেশি পরিমাণে আখ সংগ্রহ করা গেলে চিনির উৎপাদন বাড়বে এবং আখের অপচয়ও কমে আসবে।

তথ্যসূত্র: যমুনা টিভি