দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের আওতায় আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। উদ্বোধনের পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সও কক্সবাজার থেকে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে।
ইতোমধ্যে কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন্স কক্সবাজার থেকে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি। এসব এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সরকারের প্রয়োজনীয় আলোচনা ও সমন্বয় চলছে।
কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে পর্যটকদের বিদেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে আসার সুযোগ তৈরি হবে। এতে দেশের পর্যটন খাত আরও সম্প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসায় নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।
মন্ত্রী বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার পাশাপাশি বিমানবন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। টার্মিনালটির নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালনের জন্য আগামী মাসে একটি জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে এটিজেএফবি সভাপতি তানজিম আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লবসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কক্সবাজারের সঙ্গে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ চালু হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। একই সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়িয়ে এভিয়েশন ও পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















