ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পে-স্কেলের গেজেট জারি হতে দেরি, অর্থ মন্ত্রণালয়ে কেন আটকে খসড়া? ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত ‘আতরের গন্ধের’ পর হাতিয়ার সেই স্কুলে ফের অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো, গ্রেপ্তার প্রেমিকসহ ৩ গ্রিসের কাছে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে নিহত ১, নিখোঁজ ২৫ ছয় বছর পর মঞ্চে ফিরলেন সেলিন ডিওন, আবেগে কেঁদে ফেললেন ৫১ লাখ ভিউ ছাড়াল ফারহানের নাটক, বিসিএস ক্যাডার চরিত্র নিয়ে দর্শকের প্রশ্ন নতুন আইফোন কিনতে কিডনি বিক্রি! কুশাল টন্ডন অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন, মানিকগঞ্জে দুই কারখানা সিলগালা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ডেঙ্গুর পিক মৌসুম সামনে, আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:১২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ে আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর পিক মৌসুম। তাই পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসার চেয়ে আগাম প্রতিরোধে গুরুত্ব

মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা দেওয়ার চেয়ে আগে থেকেই রোগ প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া বেশি কার্যকর। এ কারণে মাঠপর্যায়ে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস

ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান।

৬৪ জেলায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। ডেঙ্গু যাতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

এর অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী

মন্ত্রী জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।

ইতিহাস ও স্থানীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর তাগিদ

ডেঙ্গুর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করে আসছে। অতীতের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই হবে না। রোগের ইতিহাস, পরিবেশ, মশার বিস্তার এবং স্থানীয় বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর কৌশল তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার’: জুবাইদা রহমান

কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ কার্যালয়ের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।

কর্মশালায় বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর পিক মৌসুম সামনে থাকায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকাকে স্বস্তির কারণ হিসেবে না দেখে আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পে-স্কেলের গেজেট জারি হতে দেরি, অর্থ মন্ত্রণালয়ে কেন আটকে খসড়া?

ডেঙ্গুর পিক মৌসুম সামনে, আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৬:১২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ে আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর পিক মৌসুম। তাই পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসার চেয়ে আগাম প্রতিরোধে গুরুত্ব

মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা দেওয়ার চেয়ে আগে থেকেই রোগ প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া বেশি কার্যকর। এ কারণে মাঠপর্যায়ে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, হাইকোর্টের রায়

ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান।

৬৪ জেলায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুই দিন আগে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। ডেঙ্গু যাতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

এর অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সংসদ সদস্যদের ফেস রিডিং করে প্রবেশের অনুরোধ চিফ হুইপের

মন্ত্রী জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।

ইতিহাস ও স্থানীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর তাগিদ

ডেঙ্গুর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করে আসছে। অতীতের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা আরও কার্যকর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু আধুনিক প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই হবে না। রোগের ইতিহাস, পরিবেশ, মশার বিস্তার এবং স্থানীয় বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর কৌশল তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস

কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ কার্যালয়ের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।

কর্মশালায় বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর পিক মৌসুম সামনে থাকায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকাকে স্বস্তির কারণ হিসেবে না দেখে আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।