ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরির পরও হার ইংল্যান্ডের সৌদি আরবে বিমানবন্দর ও তেলক্ষেত্রে হামলা, নিহত ৪; দুই বাংলাদেশিসহ আহত ১০ মোহাম্মদপুরে ‘মুখে ল’ গ্রুপের সদস্য দিদার গ্রেপ্তার পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত আরও ২ জমি নিয়ে বিরোধে আটকে প্রতিমা বিসর্জন, ডিসির বৈঠকেও মেলেনি সমাধান বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানের আমিনবাজারে ল্যান্ডফিলের ৮০০ লিটার ডিজেল পাচারের চেষ্টা, ট্রাকচালক আটক বিষ্ণোই গ্যাংয়ের আতঙ্কে বলিউড, নিরাপত্তায় বুলেটপ্রুফ গাড়ি ও সশস্ত্র কমান্ডো নিরাপত্তা নিয়ে সরাইল থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ঋণ নিতে ব্যর্থ হয়ে ব্যাংকের ভল্ট ভাঙার চেষ্টা, আটক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ সময় দেখুন

পূজার ছুটিতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ও মেয়ে। নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়া আক্তারের (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুলের স্ত্রী ও ছেলে এখনো তাঁদের মৃত্যুর খবর জানেন না।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাবা-মেয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থানা-সংলগ্ন এলাকায় তাঁদের বাড়ি।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে: অর্থমন্ত্রী

একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শহিদুলের স্ত্রী মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর এখনো তাঁদের জানানো হয়নি। এর আগে তাঁদের নাটোর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শহিদুল ইসলাম মাগুরায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রুবিনা আক্তার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

নিহত শহিদুলের বড় ভাই মো. ফারুক হাওলাদার জানান, পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল। গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্ত্রী রুবিনা, মেয়ে তাছফিয়া ও ছেলে লাবিবকে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে স্বামীর কর্মস্থল মাগুরায় যান রুবিনা। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল।

আরও পড়ুনঃ  অভাবে ম্লান দুর্গাপূজার আনন্দ, নতুন পোশাক কিনতে পারেনি উলিপুরের ২০০ রবিদাস পরিবার

পথে নাটোরে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়।

ফারুক হাওলাদার বলেন, একটি দুর্ঘটনায় তাঁদের পরিবারের সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। তাঁর ভাই ও ভাতিজি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তাঁদের এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যালয়ে মারামারির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে দুই প্রান্তে বদলি

গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩২ জন।

বাবা-মেয়ের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা দিয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরির পরও হার ইংল্যান্ডের

বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

আপডেটের সময়: ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

পূজার ছুটিতে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ও মেয়ে। নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়া আক্তারের (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুলের স্ত্রী ও ছেলে এখনো তাঁদের মৃত্যুর খবর জানেন না।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি তাঁদের দাফন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাবা-মেয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থানা-সংলগ্ন এলাকায় তাঁদের বাড়ি।

আরও পড়ুনঃ  মা ইলিশ রক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান জোরদার

একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শহিদুলের স্ত্রী মোসা. রুবিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে লাবিব (১১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর এখনো তাঁদের জানানো হয়নি। এর আগে তাঁদের নাটোর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শহিদুল ইসলাম মাগুরায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রুবিনা আক্তার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

নিহত শহিদুলের বড় ভাই মো. ফারুক হাওলাদার জানান, পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে ভায়রার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল। গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে স্ত্রী রুবিনা, মেয়ে তাছফিয়া ও ছেলে লাবিবকে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে স্বামীর কর্মস্থল মাগুরায় যান রুবিনা। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পথে নাটোরে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে তাঁদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তাঁর মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়।

ফারুক হাওলাদার বলেন, একটি দুর্ঘটনায় তাঁদের পরিবারের সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। তাঁর ভাই ও ভাতিজি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। অন্যদিকে শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা ও ছেলে লাবিব ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তাঁদের এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী লীগ পরিচয় দিলে ভিক্ষাও নিতেন না মকবুল, বার্ধক্যে মানবেতর জীবন

গত মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩২ জন।

বাবা-মেয়ের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান। তিনি জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা দিয়েছে।