ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বিশ্বকাপের সাফল্যের পরও বিদায়, মিশরের কোচ আর হোসাম হাসান

বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন কোচ হোসাম হাসান। তাঁর অধীনেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জয় এবং নকআউট পর্বে খেলার অভিজ্ঞতা পায় দেশটি। সেই সাফল্যের পর ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাঁর ওপর আস্থা রাখার ঘোষণা দিয়েছিল মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের মাত্র দুই মাসের মাথায় বরখাস্ত হলেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) হোসাম হাসানকে দায়িত্ব থেকে সরানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ইএফএ। তবে বরখাস্তের নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি সংস্থাটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে জাতীয় দলের ‘ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা’র বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্বকাপের পর কোচকে ঘিরে তৈরি হওয়া একাধিক বিতর্কের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও ঘটনাবলি পর্যালোচনা করা হয়েছে। জাতীয় দলের ইতিবাচক ভাবমূর্তি এবং স্থিতিশীলতার ওপর সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে চুক্তির শর্ত ও দায়িত্বের আওতায় হোসাম হাসান এবং তাঁর কারিগরি ও প্রশাসনিক দলের সদস্যদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  সাফ উদ্বোধনী ম্যাচে নাটকীয় লড়াই

হোসাম হাসানকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত আগস্টের শেষ দিকে। সে সময় তাঁর পারিবারিক বিরোধের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে মিশরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং কয়েক মাস ধরে বিতর্ক চলতে থাকে।

এর মধ্যে মাঠের বাইরের অস্বস্তির সঙ্গে যুক্ত হয় মাঠের ভেতরের পরিস্থিতি। ২০২৭ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) বাছাইপর্বে দলের পারফরম্যান্স এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোচের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর হোসাম হাসান ও তারকা ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহর মধ্যে বিরোধের খবর প্রকাশ্যে আসে। ওই ম্যাচে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই সালাহকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। পরের ম্যাচে দক্ষিণ সুদানের বিপক্ষেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে কৃত্রিম ঘাসের মাঠের কারণে সালাহকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে মিশরীয় সাংবাদিক আহমেদ আবদেল বাসেত দাবি করেন, অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচের পর দলের ড্রেসিংরুমে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এমনকি সালাহ নীরবে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে কোনো বিরোধের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি ইএফএ।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ

বিতর্কের মধ্যেই গত অক্টোবরের শেষ দিকে আরও একটি ধাক্কা আসে। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে মিশরের বিদায়ের পর রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন হোসাম হাসান। এ ঘটনায় তাঁকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা।

সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয় নভেম্বরের শুরুতে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ৪ নভেম্বর মিশরের সুপ্রিম কাউন্সিল ফর মিডিয়া রেগুলেশন তাঁকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সংবাদমাধ্যমে কথা বলা থেকে নিষিদ্ধ করে। তবে কী ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি কাউন্সিল। এর আগে হোসাম হাসানের সাবেক স্ত্রীকেও ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

সালাহর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্ক এবং সংবাদমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে চাপে ছিলেন হোসাম হাসান। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির আগে এসব ঘটনার প্রভাব জাতীয় দলের ওপর পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দলের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সামনে এনে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

আরও পড়ুনঃ  ঘন কুয়াশায় এফএ কাপের ম্যাচ, বলই দেখতে পাচ্ছিলেন না ধারাভাষ্যকাররা

হোসাম হাসানের বিদায়ে মিশরীয় ফুটবলে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। তাঁর অধীনেই বিশ্বকাপের মঞ্চে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছিল দলটি। কিন্তু বিশ্বকাপের পর মাঠের বাইরের বিতর্কে সেই অর্জনের ইতিবাচক আবহ অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়ে।

বিশ্বকাপের পর মিশরীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা ছিল, ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা জিতবে দেশটি। কিন্তু কোচের আকস্মিক বিদায়ে সেই পরিকল্পনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

হোসাম হাসানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আলি মাহের। মিশরের ঘরোয়া ফুটবল লিগে নিয়মিত কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও দেশটির দুই প্রধান ক্লাব আল আহলি ও জামালেকের কোনো একটির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নেই তাঁর।

নতুন কোচের সামনে এখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বিশ্বকাপে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া দলটির ধারাবাহিকতা ধরে রাখা, মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটানো এবং ২০১০ সালের পর প্রথমবার আফকনের শিরোপা জয়ের লক্ষ্য পূরণে দলকে প্রস্তুত করা।

বিশ্বকাপের সাফল্যকে মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের অভিযানে রূপ দিতে আলি মাহের কতটা সফল হন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্বকাপের সাফল্যের পরও বিদায়, মিশরের কোচ আর হোসাম হাসান

আপডেটের সময়: ০২:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন কোচ হোসাম হাসান। তাঁর অধীনেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জয় এবং নকআউট পর্বে খেলার অভিজ্ঞতা পায় দেশটি। সেই সাফল্যের পর ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাঁর ওপর আস্থা রাখার ঘোষণা দিয়েছিল মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের মাত্র দুই মাসের মাথায় বরখাস্ত হলেন তিনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) হোসাম হাসানকে দায়িত্ব থেকে সরানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ইএফএ। তবে বরখাস্তের নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি সংস্থাটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে জাতীয় দলের ‘ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা’র বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্বকাপের পর কোচকে ঘিরে তৈরি হওয়া একাধিক বিতর্কের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও ঘটনাবলি পর্যালোচনা করা হয়েছে। জাতীয় দলের ইতিবাচক ভাবমূর্তি এবং স্থিতিশীলতার ওপর সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে চুক্তির শর্ত ও দায়িত্বের আওতায় হোসাম হাসান এবং তাঁর কারিগরি ও প্রশাসনিক দলের সদস্যদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  “আইসিসি মাসসেরার দৌড়ে সোবহানা মোস্তারি: অস্ট্রেলিয়ায় ১১৮ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস”

হোসাম হাসানকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত আগস্টের শেষ দিকে। সে সময় তাঁর পারিবারিক বিরোধের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে মিশরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং কয়েক মাস ধরে বিতর্ক চলতে থাকে।

এর মধ্যে মাঠের বাইরের অস্বস্তির সঙ্গে যুক্ত হয় মাঠের ভেতরের পরিস্থিতি। ২০২৭ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) বাছাইপর্বে দলের পারফরম্যান্স এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোচের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর হোসাম হাসান ও তারকা ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহর মধ্যে বিরোধের খবর প্রকাশ্যে আসে। ওই ম্যাচে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই সালাহকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। পরের ম্যাচে দক্ষিণ সুদানের বিপক্ষেও তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে কৃত্রিম ঘাসের মাঠের কারণে সালাহকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে মিশরীয় সাংবাদিক আহমেদ আবদেল বাসেত দাবি করেন, অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচের পর দলের ড্রেসিংরুমে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এমনকি সালাহ নীরবে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে কোনো বিরোধের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি ইএফএ।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ

বিতর্কের মধ্যেই গত অক্টোবরের শেষ দিকে আরও একটি ধাক্কা আসে। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে মিশরের বিদায়ের পর রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন হোসাম হাসান। এ ঘটনায় তাঁকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা।

সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয় নভেম্বরের শুরুতে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ৪ নভেম্বর মিশরের সুপ্রিম কাউন্সিল ফর মিডিয়া রেগুলেশন তাঁকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সংবাদমাধ্যমে কথা বলা থেকে নিষিদ্ধ করে। তবে কী ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি কাউন্সিল। এর আগে হোসাম হাসানের সাবেক স্ত্রীকেও ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

সালাহর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্ক এবং সংবাদমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে চাপে ছিলেন হোসাম হাসান। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির আগে এসব ঘটনার প্রভাব জাতীয় দলের ওপর পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দলের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সামনে এনে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

আরও পড়ুনঃ  সাফ উদ্বোধনী ম্যাচে নাটকীয় লড়াই

হোসাম হাসানের বিদায়ে মিশরীয় ফুটবলে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। তাঁর অধীনেই বিশ্বকাপের মঞ্চে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছিল দলটি। কিন্তু বিশ্বকাপের পর মাঠের বাইরের বিতর্কে সেই অর্জনের ইতিবাচক আবহ অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়ে।

বিশ্বকাপের পর মিশরীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা ছিল, ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা জিতবে দেশটি। কিন্তু কোচের আকস্মিক বিদায়ে সেই পরিকল্পনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

হোসাম হাসানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আলি মাহের। মিশরের ঘরোয়া ফুটবল লিগে নিয়মিত কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও দেশটির দুই প্রধান ক্লাব আল আহলি ও জামালেকের কোনো একটির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নেই তাঁর।

নতুন কোচের সামনে এখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বিশ্বকাপে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া দলটির ধারাবাহিকতা ধরে রাখা, মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটানো এবং ২০১০ সালের পর প্রথমবার আফকনের শিরোপা জয়ের লক্ষ্য পূরণে দলকে প্রস্তুত করা।

বিশ্বকাপের সাফল্যকে মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের অভিযানে রূপ দিতে আলি মাহের কতটা সফল হন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।