রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মধ্য ইউক্রেনের ক্রিভি রিহ শহরের কাছে একটি গ্রামে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি বাড়িতে আঘাত হানলে পাঁচ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুকন্যাসহ ছয়জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজধানী কিয়েভেও হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। শহরের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, রাতভর হামলার ফলে তিনটি অনাবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়। পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভেও একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শহরের মেয়র আন্দ্রি সাদোভির ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া ইউক্রেনের আরও কয়েকটি অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিবিসি ইউক্রেনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছেছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে প্রতিবেশী পোল্যান্ড সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিজেদের সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে বলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি গুদামেও রাতের বেলায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেগ মেলনিচেঙ্কো জানিয়েছেন, ওয়াইল্ডবেরিজ প্রতিষ্ঠানের একটি গুদামে হামলায় অন্তত একজন আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্থাপনা ইউক্রেনের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষায় ইউক্রেনের জন্য পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিবেদকের নাম 

























