জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস ও অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে অনুসন্ধান আরও জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রায় ১১ কোটি নাগরিকের এনআইডি তথ্য অনিয়মের মাধ্যমে ব্যবহার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই করা হচ্ছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষিত নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেআইনিভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর একই বছরের ৯ অক্টোবর ঢাকার কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, এনআইডি তথ্য ব্যবহার করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে।
মামলার তদন্ত চলাকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সাবেক পরিচালক এম. বরকতউল্লাহ এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন. এম. জিয়াউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বর্তমানে দুদক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















